বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বয়স্ক পুনর্বাসন কন্দ্র যেখানে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রবীন বয়স্কদের সেবা দেয়া হয়ে থাকে। এই কেন্দ্র ১২০০ সিটের দুটি পাঁচতলা বিল্ডিং নিয়ে তাদের সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। ১০০ বিঘা জায়গার নিয়ে এটি গাজিপুর,হোতাপাড়া, মনিপুরে অবস্থিত। কোঅরডিনেটর রবিউল ইসলামের সাথে ফোনে কথা হয়। সুস্থ হাঁটা চলায় স্বক্ষম, নিজস্ব কাজগুলো নিজে করতে পারেন যেমন গোসল কাপড় ধোয়া ৬০ বছর বয়সী নারী পুরুষ সেখানে থাকতে পারেন। দুই ঈদে ১০ দিন করে ২০ দিন ছুটিতে তারা আপনজনের কাছে যেতে পারেন। এছাড়া আর কোন সময় আত্মীয় স্বজনের কাছে যাবার সুযোগ নাই। এখানে সেবাগ্রহীতারা ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না।ভর্তি হওয়ার পর থেকে যতদিন বেঁচে থাকবেন সকল দায়িত্ব প্রতিষ্ঠানের। একজন মানুষের স্বাভাবিক সকল সুযোগ সুবিধা এখানে সহজলভ্য। নিচে প্রতিষ্ঠানের ফোন নাম্বার ঠিকানা দেয়া আছে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করতে পারেন। 017 1409 6272 বয়স্ক পূনর্বাসন কেন্দ্র গাজিপুর হোতাপাড়া, মনিপুর।
● শেখ হাসিনা এবং আমরা ----------------------------- করিম চৌধুরী ( ২৩ বছর আগে আমেরিকা থেকে সাপ্তাহিক যায়যায়দিন-এর সমকাল বিভাগে এই লেখাটি লিখেছিলাম। ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পরাজিত হলে শেখ হাসিনা প্রায় পাগল হয়ে গিয়েছিলো। ইমেইলে দেশ থেকে ও আমেরিকা থেকে অনেক হুমকি পেয়েছিলাম এই লেখা প্রকাশিত হবার পর। অবশ্য অনেকে আমাকে আন্তরিক অভিনন্দনও জানিয়ে ছিলেন। সাহসী লেখক হিসেবে প্রশংসা করেছিলেন। মোট ১৭৫ টা ইমেইল পেয়েছিলাম। সিনিয়ররা ওই সময়ের প্রেক্ষাপট চিন্তা করে লেখাটি পড়বেন। থ্যাংক ইউ।) ১৭ জানুয়ারী ২০০৩ তারিখের ইত্তেফাকের ওয়েবসাইটে বিশেষ খবরের একটির শিরোনাম ছিল- যুক্তরাষ্ট্রের রেজিষ্ট্রেশন তালিকায় বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি অপমানজনক : পররাষ্ট্রনীতির ব্যর্থতা- শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনার মতো নির্লজ্জ, মিথ্যুক ও বিকৃত মানসিকতার নেত্রীর মুখেই এ কথা মানায়। এই মহিলা আগেও অনেক অসংলগ্ন কথাবার্তা বলেছিলেন। গত নির্বাচনে তার দলের লজ্জাজনক পরাজয়ের পর মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যেসব কথা বহির্বিশ্বে বলেছেন তা কোনো দেশপ্রেমিক নেত্রী বলতে পারেন না। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ম...