ইদানীং আমার কিছু পোস্ট দেখে এক বন্ধু কমেন্টে আমাকে জামায়াতে ইসলামী দলে যোগ দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। আমিও কমেন্টে তাকে উত্তর দিয়েছি এভাবে..... "আমি কোনো দলেই কখনো যোগ দিইনি। আমার ইচ্ছা ছিলো, আমি পলিটিক্যাল সাইন্স পড়বো, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পড়বো, ইতিহাস পড়বো। রাজনীতি সচেতন হবো। ক্রিটিক হবো। কিন্তু কোনো দলীয় রাজনীতি করবো না। নিরংকুশ আনুগত্য পাবার মতো নেতা বাংলাদেশে নেই। তুমি জানো, আমার প্রায় সব বন্ধুরাই ছাত্রলীগ, যুবলীগ,আওয়ামী লীগ করতো। কিন্তু আমি কখনো ওই পথে পা বাড়াইনি। জিয়াকে কিশোর বয়সে দেখে বিএনপি সমর্থন করতাম। তুমি নিশ্চয়ই দেখেছো, হাসিনার আমলেও আমি বিএনপির পক্ষে লিখেছি। কিন্তু কোন দিন মিছিলেও যাইনি। দেশকে ভালোবেসে, দেশের কল্যাণে এদেশে কেউ রাজনীতি করে না৷ জাতীয় পর্যায় বাদই দিলাম। স্থানীয় পর্যায়ে যারা রাজনীতি করে তারা নিজের লাভের জন্য রাজনীতি করে। কেউ এলাকায় প্রভাব বিস্তার করবে। এলাকার 'ভাই' হবে। কেউ বাড়িটাড়ি করলে তার অনুমতি লাগবে। অনুমতির পেছনে থাকবে টাকা। কেউ ব্যবসায়িক সুবিধা নিবে। কেউ টেন্ডারবাজী করবে। কেউ চাঁদাবাজি করবে। কেউ বিচার আচার করে টাকা খাবে। এই হলো রাজনীতি করা...
পিন্ডিতে কেউ পালায় নাই বাংলাদেশের ৫৪ বছরের ইতিহাসে। দিল্লীতে তো চোখের সামনেই একটা পুরা দল পালিয়ে আছে। কিন্তু পিন্ডি কোনোভাবেই দিল্লীর সমপর্যায়ের তো নয়, ইভেন সেরকমভাবে প্রাসংগিকও না স্বাধীনতার পর থেকে আর। যাদেরকে ইংগিত করে বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান বলেছেন, সেই দলের নেতাদের ছেলে-মেয়েরা উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার প্রয়োজনে ঝাঁকে ঝাঁকে ইউরোপ, আমেরিকা, কানাডা, তুরস্ক, মালয়েশিয়া, অষ্ট্রেলিয়াতে আছে। কিন্তু পাকিস্তানে আসলে কেউই নাই। তার উপর জিওগ্রাফিক্যালি দেখলে পাকিস্তানের আসলে এদেশের উপর প্রাধান্য বিস্তারের কোনো সুযোগও নাই। তারা আমার দেশের অভিন্ন নদীতে বাঁধ দিয়ে মরুভূমি বানাতে পারে না। ট্রানজিটের নামে ট্যাক্সবিহীন চলাচল আর করিডোর নিতে পারে না। আমাদের দেশে গ্রেফতার বা গুমকৃত লোকজন, যেমন বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন সাহেব বা সাঈদীর মামলার সাক্ষী সুখরঞ্জন বালির মত কাউকে পাকিস্তানে পাওয়া যায়নি। পাওয়া গেছে ভারতের কারাগারে। আমাদের দেশটাকে তাদের পণ্যের বাজার একতরফাভাবে বানিয়েছে ভারত, পাকিস্তান না। আমাদের সাথে হিউজ বাণিজ্য ঘাটতি ভারতের, পাকিস্তানের না। আমাদের টেক্সটবুক চেইঞ্জ করতে চেয়েছে এক...