ইরান, ইসরাইল,আমেরিকা যুদ্ধ এবং সুন্নি ও শিয়া --------------------------------------------------- অনেকদিন ধরেই ফেইসবুকে বড় কোনো লেখা লিখিনা। আজ না লিখে থাকতে পারলাম না। এই লেখা মূলত একাডেমিক আলোচনা। এখানে কাউকে হার্ট করার জন্য লেখা হয়নি। আমার আশেপাশে অনেকেই আছেন বিভিন্ন তরিকার। কেউ তাবলীগ জামাত করেন। কেউ আহলে হাদিস করেন। কেউ রেজভীয়া গ্রুপ করেন। কেউবা দেওয়ানবাগ হুজুরের অনুসারী। প্রায় সকলের সঙ্গেই আমার বন্ধুত্বমূলক সম্পর্ক আছে। গ্র্যাজুয়েশন লেভেলে আমার ৩০০ নম্বরের ইসলামের ইতিহাস ছিল। তখন ইসলামের ইতিহাসে বিভিন্ন যুদ্ধের কাহিনী পড়ে নিজের মনে খটকা লাগতো। হযরত আলীর সাথে হযরত আয়েশার যুদ্ধ। যা ইসলামের ইতিহাসে উষ্ট্রের যুদ্ধ নামে পরিচিত। ওই যুদ্ধে হযরত আয়েশা উঠে চড়ে এসেছিলেন বলে এই যুদ্ধের নামকরণ করা হয় উষ্ট্রের যুদ্ধ। আমি অবাক হয়ে ভাবতাম হযরত আলী নবীজির চাচাতো ভাই এবং মেয়ের জামাই আর হযরত আয়েশা নবীজির স্ত্রী তাদের মধ্যে যুদ্ধ হবে কেন? পরে যখনই সুযোগ পেয়েছি তখন ইসলামের ইতিহাস পড়ার চেষ্টা করেছি। আমাদের উপমহাদেশে শিয়া সুন্নি বিষয়টি বেশি প্রকাশ্যে আসে পাকিস্তানে জেনারেল ...
ইদানীং আমার কিছু পোস্ট দেখে এক বন্ধু কমেন্টে আমাকে জামায়াতে ইসলামী দলে যোগ দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। আমিও কমেন্টে তাকে উত্তর দিয়েছি এভাবে..... "আমি কোনো দলেই কখনো যোগ দিইনি। আমার ইচ্ছা ছিলো, আমি পলিটিক্যাল সাইন্স পড়বো, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পড়বো, ইতিহাস পড়বো। রাজনীতি সচেতন হবো। ক্রিটিক হবো। কিন্তু কোনো দলীয় রাজনীতি করবো না। নিরংকুশ আনুগত্য পাবার মতো নেতা বাংলাদেশে নেই। তুমি জানো, আমার প্রায় সব বন্ধুরাই ছাত্রলীগ, যুবলীগ,আওয়ামী লীগ করতো। কিন্তু আমি কখনো ওই পথে পা বাড়াইনি। জিয়াকে কিশোর বয়সে দেখে বিএনপি সমর্থন করতাম। তুমি নিশ্চয়ই দেখেছো, হাসিনার আমলেও আমি বিএনপির পক্ষে লিখেছি। কিন্তু কোন দিন মিছিলেও যাইনি। দেশকে ভালোবেসে, দেশের কল্যাণে এদেশে কেউ রাজনীতি করে না৷ জাতীয় পর্যায় বাদই দিলাম। স্থানীয় পর্যায়ে যারা রাজনীতি করে তারা নিজের লাভের জন্য রাজনীতি করে। কেউ এলাকায় প্রভাব বিস্তার করবে। এলাকার 'ভাই' হবে। কেউ বাড়িটাড়ি করলে তার অনুমতি লাগবে। অনুমতির পেছনে থাকবে টাকা। কেউ ব্যবসায়িক সুবিধা নিবে। কেউ টেন্ডারবাজী করবে। কেউ চাঁদাবাজি করবে। কেউ বিচার আচার করে টাকা খাবে। এই হলো রাজনীতি করা...