বিএনপি কি জাতির সাথে প্রতারণা করেছে? ********************************* রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বিএনপি'র পক্ষেরই একজন বুদ্ধিজীবী। আওয়ামী লীগ শাসনামলে দেখেছি উনার ভূমিকা। উনি বিএনপি'র পক্ষেই কথা বলতেন। জুলাই অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কারের বিষয়ে উনি বিএনপির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বর্তমানে তিনি বিএনপি'র একজন কট্টর সমালোচক। তিনিও ভাবতে পারেনি যে, বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে ৩৬০° এঙ্গেলে ঘুরে যাবে। কণ্ঠ শিল্পী আসিফ আকবর একজন কট্টর বিএনপি সমর্থক। হাসিনা শাসনামলে তিনি শুধু বিএনপি সমর্থন করেন এই কারণে তাকে গান গাইতে দেওয়া হয়নি। তিনিও বিএনপি'র দ্বিমুখী আচরণের তীব্র সমালোচনা করছেন। সাংবাদিক মাসুদ কামাল সব সরকারের আমলেই তিনি সমালোচনা করে থাকেন। আওয়ামী লীগ বিরোধী সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত। অর্থাৎ তিনি বিএনপি পন্থী। তিনিও বিএনপি'র সমালোচনা করে যাচ্ছেন অনর্গল। সাংবাদিক আশরাফ কায়সার একজন বিএনপি সমর্থক সাংবাদিক। তিনিও এখন বিএনপির এই দ্বিমুখীতার সমালোচনা করছেন। যারা নিয়মিত টেলিভিশনের টক শো'গুলো দেখেন তারাই বলতে পারবেন। স্থানীয় পর্যায়ের বিএনপি নেতারা তো...
মৃত্যু ----- অনেকেই বলেন, যে কোন মৃত্যুই বেদনাদায়ক। আমি এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত নই। আমার কাছে কোনো মৃত্যুই বেদনাদায়ক বলে মনে হয় না। জন্ম হলে মৃত্যু অনিবার্য। এই কথা ছোটবেলা থেকেই শুনে আসছি। যা অনিবার্য তা বেদনাদায়ক হয় কিভাবে? কিছুদিন পর আমি নিজেই হয়তো মরে যাবো। শারীরিক অবস্থা ভালো যাচ্ছে না। মৃত্যু শ্বাশত, মৃত্যু চিরন্তন। মৃত্য নিয়ে আমার কিছু স্মৃতি। আমার বাবা মারা যান ১৯৮৯ সালের ২৭ শে নভেম্বর। পরিণত বয়সে। বার্ধক্য জনিত কারণে বাবার মৃত্যু হয়। আমি তখন দেশে। বাবাকে শেষ দেখা দেখেছিলাম। কবর দিয়েছিলাম। আমার মা মারা যান ১৯৯৭ সালের ২০ শে আগস্ট। ২৯ বছর আগে আজকের এই দিনে। আমি তখন নিউইয়র্কে। মার সঙ্গে শেষ দেখা হয়নি। মাকে কবর দেওয়া আমার ভাগ্যে জোটেনি। আমার মেজো ভাই মারা যান মাত্র ৪৭ বছর বয়সে ১৯৯৬ সালে। তখনো আমি নিউইয়র্কে। ভাইয়ের সঙ্গেও শেষ দেখা হয়নি। আবার বড় দুলাভাই মারা যান ২০০৮ সালে। আমি তখন দেশে। শেষ দেখা হয়েছিলো এবং কবরও দিয়েছি। আমার মেজো দুলাভাই মারা যান ২০১০ সালে। আমি তখন দেশে। শেষ দেখা হয়েছে। কবরও দিয়েছি। আমার...