সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

কার্ল মার্ক্স কি এখনো প্রাসঙ্গিক ?

কার্ল মার্ক্স কি এখনো প্রাসঙ্গিক ? চীনের গৃহযুদ্ধে মাও সে-তুংয়ের কমিউনিস্ট বাহিনী ১৯৪৯ সালে জয়ী হওয়ার ৪০ পর বার্লিন দেয়াল ভাঙা পর্যন্ত কার্ল মার্ক্সের ঐতিহাসিক তাৎপর্য ছিল অলঙ্ঘ্যেয়। পৃথিবীর প্রতি দশজনের প্রায় চারজনই এমন সরকারগুলোর অধীনে ছিল যে সরকারগুলো নিজেদের মার্ক্সবাদী বলে দাবি করত। এর বাইরে বহু দেশে বামপন্থীদের অনুকরণীয় আদর্শ ছিল মার্ক্সবাদ এবং মার্ক্সবাদকে কীভাবে মোকাবিলা করা যাবে, সেটিই ছিল সেসব দেশের ডানপন্থীদের মূলনীতি। সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং তার ওপর নির্ভরশীল দেশগুলোতে সমাজতন্ত্র ভেঙে পড়ার পরও সেখানে মার্ক্সের প্রভাব রয়ে যায়। সোভিয়েত ব্লক এবং মাও-শাসিত চীনে সমাজতন্ত্র ভেঙে পড়ার মূল কারণ হলো সেখানকার সরকার জনগণকে মানসম্মত জীবনব্যবস্থা দিতে ব্যর্থ হয়েছিল। পুঁজিবাদী অর্থনীতিকে টেক্কা দিতে পারার মতো অর্থনৈতিক ব্যবস্থা তারা গড়তে পারেনি।মার্ক্স মনে করতেন, যখন কর্মীরা যৌথ মালিকানাভিত্তিক উৎপাদনে আত্মনিয়োগ করবে, তখন মার্ক্সের ভাষায় ‘সহযোগিতামূলক সম্পদের ঝরনাধারা’ ব্যক্তিমালিকানাধীন সম্পদ যে গতিতে ছড়ায়, তার চেয়ে অনেক বেশি পর্যাপ্ত আকারে সমাজে প্রবাহিত হবে। বেশির...

মুজিব কি ভারতীয় বাহিনী ফেরত দিতে চেয়েছিলেন ?

মুজিব কি ভারতীয় বাহিনী ফেরত দিতে চেয়েছিলেন ? "... ১৯৭২ সাল থেকেই ইতিহাসে লেখা হত প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানেই ভারতীয় সেনাবাহিনী বাংলাদেশ থেকে চলে গিয়েছিল। এখন নতুন তথ্য আমাদের জানানো হচ্ছে। নতুন ইতিহাস শেখানো হচ্ছে। ২১ মার্চ সংখ্যা 'প্রথম আলো' পত্রিকায় ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র সচিব জে এন দীক্ষিতের এক সাক্ষাৎকারের প্রথম অংশ ছাপা হয়। সাক্ষাৎকারের একটি প্রশ্ন ও তার উত্তর নিম্নরূপ : প্রশ্ন : আরেকটা প্রসঙ্গে এবার আসি। আপনি বইতে বলেছেন, শেখ মুজিব চেয়েছিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনী আরও এক বছর বাংলাদেশে থাকুক। কিন্তু আমরা তো শুনে এসেছি যে, বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় সেনারা দ্রুত চলে যাক। বঙ্গবন্ধু সেটাই চেয়েছিলেন। উত্তর : না। এটা ঠিক নয়। কারন ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে কলিকাতায় শেখ মুজিব ও ইন্দিরা গান্ধীর আলোচনায় আমি উপস্থিত ছিলাম। আমি ব্যক্তিগতভাবে এ আলাপের একজন সাক্ষী। তা ছাড়া আমি বাংলা বুঝি। শেখ মুজিব কোন জোরাজুরি করেননি। শুধু বলেছেন, 'আপনারা অনেক করেছেন। কিন্তু পরিস্থিতি এখনই স্থিতিশীল হয়নি, অস্ত্র এখনও জমা দেয়নি অনেকে, কোন কোন জায়গায় পাকিস্তানপন্থীরা...

জাপানে পড়াশোনা

জাপানে পড়াশোনা জাপানে গিয়েছিলাম সেই কবে ! অনেক বছর আগে । স্টুডেন্ট ভিসা নিয়েই গিয়েছিলাম । কিন্তু ইন্টারমেডিয়েট পাসের পর জাপানে পড়াশ োনা করতে হলে আগে জাপানি ভাষার কোর্স শেষ করতে হয় । কমপক্ষে চার বছর লাগে । ইংরেজি ভাষায় পড়ার সুযোগ নেই । যা দেশে থাকতে জানতাম না । ইনফরমেশন গ্যাপ থাকলে অনেক সমস্যা । তিন চার মাস পর পাগলের মতো হয়ে গেলাম । কয়েক মাস জাপানি ভাষার কোর্স করলাম । জাপানি ভাষা শ্রুতি মধুর হলেও আমার কাছে ভালো লাগেনি । ভাতকে-গোহান, পানিকে-মিজু,-মাছকে-সাকানা, আলুকে-জাগাইমো, বন্ধুকে-তোমোদাচি, ধন্যবাদকে-দমো, স্কুলকে-গাক্কু, ছাত্রকে-গাকছেই, মানুষকে-জিন,দেশকে- কুনি, মেয়েকে(নারী)-ওন্না, পুরুষকে-ওতোকো, টাকাকে-ওকানে,ট্রেনকে-দেইংসা, পুলিশকে-ওমাওয়ারিসান, কফিকে-কহি,গুড মর্নিংকে- ওহাইয়ো গুজাইমাছ । তো আমার কাছে প্রতিদিন সকালে এই গুজাইমাছগিরি ভালো লাগেনি । প্রয়োজনীয় কিছু জরুরী ভাষা শিখে দেখলাম আমি তোতলা হয়ে যাচ্ছি । অনেক চেস্টা করলাম ইংরেজিতে পড়ার । আমি আর কাউসার মিলে কয়েকটি ইউনিভার্সিটিতে অনেক ঘুরাঘুরি করলাম । ওয়াসেদা ইউনিভার্সিটি, কেও ইউনিভার্সিটি, জসি সোফি...

গালি

গালি আজ বিকেল ৪টায় ক্যালিফোর্নিয়ায় ফেসবুক হেড কোয়ার্টারে ফোন করেছি। তাদের কাস্টমার কেয়ার নাম্বার +1 850 792 2591. আমার একাউন্ট ডিসএবল্ড কেন এই নিয়ে এমন চো..ন দিছি তা যদি বন্ধুদের শোনাতে পারতাম, তবে বন্ধুরা আমার সম্পর্কে নতুন ধারনা পেতেন। আমার মুখ যে এতো খারাপ তা কল্পনাও করতে পারবেন না কেউ। পৃথিবীর যে দেশেই গিয়েছি আগে সে দেশের খারাপ গালিগুলো শিখেছিলাম। যাতে ওরা গালি দিলে বুঝতে পারি। ছোটবেলায় আমি গালাগালি খেলতাম বন্ধুদের সঙ্গে। একজন আমাকে গালি দেবে আর আমি পালটা গালি দেবো। এক সময় বন্ধুদের গালি শেষ হয়ে যেতো। কিন্তু আমার স্টকে আরো থাকতো। আমি বরাবরই ফার্স্ট হতাম। আমেরিকায় ছিলাম বলে ওদের বাছা বাছা গালিগুলো আজ দিয়েছি। ওদের বলে দিয়েছি ২০টা একাউন্ট খুলবো। কয়টা বন্ধ করবা? ওরা আমার একাউন্ট দেখবে,দেখছি বলে যতোই শান্তনা দেয় আমি দ্বিগুন উত্তেজিত হয়ে বলি Fuck your consolation. ক্যালিফোর্নিয়ায় ফেসবুক হেড কোয়ার্টার। ছবিগুলো ইমেজ হিসেবে নেয়া হয় নি। Google Earth থেকে লাইভ নেয়া হয়েছে আজ সন্ধ্যায়। তো তাদের কি গালাগালি করলাম তা কাল এই ছবির সঙ্গেই লিখবো।

আমেরিকান সিসটেম

আমেরিকান সিসটেম করিম চৌধুরী শেল অয়েল কম্পানির একটি গ্যাস ষ্টেশনে চাকরি করতাম। প্রাসঙ্গিক কারণে এই চাকরি ও বিজনেসের বর্ণনা দেয়া দরকার । অনেক বড় এলাকা নিয়ে সেলফ সার্ভিস এই গ্যাস ষ্টেশনে বারোটি পাম্প আছে । চব্বিশটি গাড়ি একসঙ্গে তেল নিতে পারে । পাশে অর্থাৎ এমপ্লয়িরা যেখানে কাজ করে সেটি বেশ বড় একটি ষ্টোর এবং ভেতরে দুটো অফিস রুম । বাইরে বিশ/পঁচিশটি গাড়ি একসঙ্গে পার্ক করার জায়গা । শুধু তেল নেয়ার জন্যই ক্রেতারা এখানে আসে না । নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসও কিনতে আসে । পাম্প থেকে তেল নেয়ার জন্য নজল (Nozzle) বা তেলের পাইপ হাতে নেয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভেতরের ক্যাশ রেজিষ্টারের মনিটরে পাম্প নাম্বারসহ Call লেখা উঠবে । একই সঙ্গে কী-বোর্ডে পাম্প নাম্বারের বাটনে অর্থাৎ সাত নাম্বার পাম্প হলে সাত নাম্বার বাটনে লাল বাতি ফ্ল্যাশ করে বিপটোন বাজবে । সেলস অ্যাসোসিয়েট কী-বোর্ডের অথরাইজ বাটনে টিপলে পাম্প অথরাইজড হবে এবং কাষ্টমার তার ইচ্ছা মতো এমাউন্টের তেল নিতে পারবে । ফিউয়েল ট্যাঙ্ক ভরে গেলে অটোম্যাটিক পাম্প বন্ধ হয়ে যাবে । কাষ্টমার ভেতরে এসে পাম্প নাম্বার বললে সেলস অ্যাসোসিয়েট কী-বোর্ডে উল্লিখিত পাম্প ন...

গাঁজা

গাঁজা পরিমাণমতো সেবনে অনেক উপকার !!!! গাঁজার নেশা হলে, বা সে নেশা বাড়াবাড়ি পর্যায়ে গেলে জ ীবনে বিপদ ডেকে আনতে পারে৷ তবে গবেষকরা বলছেন পরিমাণ মতো গাঁজা ওষুধ হিসেবে সেবন করলে নাকি অনেক উপকার৷ নয়টি উপকার সম্পর্কে জানুন৷ ১। মৃগীরোগ কমায় যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া কমনওয়েলথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ২০১৩ সালেই জানিয়েছেন, মারিজুয়ানা বা গাঁজা একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় নিলে মৃগী বা এ ধরণের কিছু স্নায়ুরোগ থেকে দূরে থাকা যায়৷ বিজ্ঞান বিষয়ক সাময়িকী জার্নাল অফ ফার্মাকোলজি অ্যান্ড এক্সপেরিমেন্টাল থেরাপিউটিক্স-এ ছাপাও হয়েছে তাঁদের এই গবেষণালব্ধ তত্ত্ব৷ ২। গ্লুকোমা দূরে রাখতে সহায়তা করে এই বিষয়টি তো প্রায় দশ বছর আগে জানা গেছে৷ যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল আই ইন্সটিটিউট জানিয়েছিল মারিজুয়ানা গ্লুকোমার ঝুঁকিও কমায়৷ গ্লুকোমা চোখের এমন এক রোগ যা চির অন্ধত্ব ডেকে আনে৷ ৩। আলৎসহাইমার শত্রু দ্য জার্নাল অফ আলৎসহাইমার’স ডিজিজে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মারিজুয়ানা মস্তিষ্কের দ্রুত নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়াও রোধ করে৷ আর এভাবে আলৎসহাইমার ঝুঁকিও কমাতে পারে মারিজুয়ানা৷ তবে মারিজুয়ানা ‘ওষুধ’...

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

বাংলা সাহিত্যে আমার প্রিয় লেখক আরো পর দুই খন্ডের “সেই সময়” । তারপর বৃহৎ পরিসরের “পূর্ব পশ্চিম” । এরপর “প্রথম আলো”। সুনীলের যে কোন লেখাই আমার ভালো লাগে । এখনো । নীল লোহিত ছদ্মনামে তার সব লেখা আমার পড়া । বলতে গেলে সুনীলের প্রায় সব বই ই আমি পড়েছি । শীর্ষেন্দু ,সমরেশ, নিমাই, বুদ্ধদেব, মৈত্রীয় দেবী, আবুল বাশার, অরুন্ধতি, শর্মিলা বোসসহ বলতে গেলে পশ্চিম বঙ্গের সবার বই আমি পড়েছি । ১৯৯৫ সালে কলকাতায় ‘দেশ’পত্রিকা অফিসে প্রয়াত প্রিয় লেখক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে অনেক গল্প করেছিলাম । তিনি অসংখ্যবার আমেরিকায় গিয়েছেন । আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু দিন পড়ে ফরাসি মেয়ে মার্গারিটার প্রেমে পড়ে যান । সেই পড়া বাদ দিয়ে তিনি কলকাতায় চলে আসেন । একবার নিউ ইয়র্কে সুনীল গেলেন ১৯৯৮ সালে । জ্যাকসন হাইটসের ‘মুক্তধারা’ লাইব্রেরিতে বিশ্বজিৎ দাস আয়োজন করলেন বই মেলার । নিউ ইয়র্কের কয়েকটি বাংলা পত্রিকা থেকে আমাকে ফোন করে জানানো হলো । নিউ ইয়র্ক প্রবাসী সব লেখক সাংবাদিকই আমার বন্ধু । মনে আছে ডিসেম্বর মাস ছিলো । তীব্র শীত । আমি নিউ ইয়র্ক সিটিতে থাকতাম । যার স্থানীয় নাম ম্যানহাটান । সন্ধ্যার...