কার্ল মার্ক্স কি এখনো প্রাসঙ্গিক ? চীনের গৃহযুদ্ধে মাও সে-তুংয়ের কমিউনিস্ট বাহিনী ১৯৪৯ সালে জয়ী হওয়ার ৪০ পর বার্লিন দেয়াল ভাঙা পর্যন্ত কার্ল মার্ক্সের ঐতিহাসিক তাৎপর্য ছিল অলঙ্ঘ্যেয়। পৃথিবীর প্রতি দশজনের প্রায় চারজনই এমন সরকারগুলোর অধীনে ছিল যে সরকারগুলো নিজেদের মার্ক্সবাদী বলে দাবি করত। এর বাইরে বহু দেশে বামপন্থীদের অনুকরণীয় আদর্শ ছিল মার্ক্সবাদ এবং মার্ক্সবাদকে কীভাবে মোকাবিলা করা যাবে, সেটিই ছিল সেসব দেশের ডানপন্থীদের মূলনীতি। সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং তার ওপর নির্ভরশীল দেশগুলোতে সমাজতন্ত্র ভেঙে পড়ার পরও সেখানে মার্ক্সের প্রভাব রয়ে যায়। সোভিয়েত ব্লক এবং মাও-শাসিত চীনে সমাজতন্ত্র ভেঙে পড়ার মূল কারণ হলো সেখানকার সরকার জনগণকে মানসম্মত জীবনব্যবস্থা দিতে ব্যর্থ হয়েছিল। পুঁজিবাদী অর্থনীতিকে টেক্কা দিতে পারার মতো অর্থনৈতিক ব্যবস্থা তারা গড়তে পারেনি।মার্ক্স মনে করতেন, যখন কর্মীরা যৌথ মালিকানাভিত্তিক উৎপাদনে আত্মনিয়োগ করবে, তখন মার্ক্সের ভাষায় ‘সহযোগিতামূলক সম্পদের ঝরনাধারা’ ব্যক্তিমালিকানাধীন সম্পদ যে গতিতে ছড়ায়, তার চেয়ে অনেক বেশি পর্যাপ্ত আকারে সমাজে প্রবাহিত হবে। বেশির...