সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

টোকিও ইউনিভার্সিটি

 টোকিও ইউনিভার্সিটি  ------------------------------ জাপানে গিয়েছিলাম সেই কবে! অনেক বছর আগে।১৯৮৬ সালে। আজ থেকে ৩৮ বছর আগে। স্টুডেন্ট ভিসা নিয়েই গিয়েছিলাম। কিন্তু ইন্টারমেডিয়েট পাসের পর জাপানে পড়াশোনা করতে হলে আগে জাপানি ভাষার কোর্স শেষ করতে হয়। কমপক্ষে চার বছর লাগে। ইংরেজি ভাষায় পড়ার সুযোগ নেই। যা দেশে থাকতে জানতাম না। ইনফরমেশন গ্যাপ থাকলে অনেক সমস্যা। তিন চার মাস পর পাগলের মতো হয়ে গেলাম। কয়েক মাস জাপানি ভাষার কোর্স করলাম। জাপানি ভাষা শ্রুতিমধুর হলেও আমার কাছে ভালো লাগেনি। ভাতকে-গোহান, পানিকে-মিজু, মাছকে-সাকানা, আলুকে-জাগাইমো, বন্ধুকে-তোমোদাচি, ধন্যবাদকে-দমো, স্কুলকে-গাক্কু, ছাত্রকে-গাকছেই, মানুষকে-জিন, দেশকে- কুনি, মেয়েকে(নারী)-ওন্না, পুরুষকে-ওতোকো, টাকাকে-ওকানে, ট্রেনকে-দেইংসা, পুলিশকে-ওমাওয়ারিসান, কফিকে-কহি, গুড মর্নিংকে- ওহাইয়ো গুজাইমাছ। আমার কাছে প্রতিদিন সকালে এই গুজাইমাছগিরি ভালো লাগেনি। প্রয়োজনীয় কিছু জরুরী ভাষা শিখে দেখলাম আমি তোতলা হয়ে যাচ্ছি। অনেক চেষ্টা করলাম ইংরেজিতে পড়ার। আমি আর কাউসার মিলে কয়েকটি ইউনিভার্সিটিতে অনেক ঘুরাঘুরি করলাম। ওয়াসেদা ইউনিভার্সিটি, কেও ইউনিভ...

রানু

 রানু ------ ১৯৯৬ সাল। নিউ ইয়র্কে একটা অপ্রত্যাশিত চিঠি পেয়েছিলাম। আমি থাকতাম নিউ ইয়র্ক মূল সিটিতে। থার্ড এভিনিউতে। জাতিসংঘ সদর দফতর আর বেলভিউ হসপিটালের মাঝামাঝি। যাকে স্থানীয় ভাষায় ম্যানহাটন(Manhattan)বলে। আমার ঠিকানা ছিলো... Karim Chowdhury  444 3rd Avenue  Apt# 09 NY 10016 USA এয়ারমেইল খামের বাঁ দিকে প্রেরকের নাম লেখা; রানু  চন্দ্রঘোনা  বাংলাদেশ  আমি খুবই অবাক হয়েছিলাম। কেননা আমার চোদ্দগোষ্ঠীর কেউ কোনো কালেই চন্দ্রঘোনা ছিলো না। নিজের আত্নীয় হোক আর অপরিচিত কেউ হোক, কারো চিঠি পেলে আমি সঙ্গে সঙ্গে চিঠি খুলতাম না। আমেরিকায় আমাদের অন্যতম একটা কাজ ছিলো, প্রতিদিন কাজ শেষে বাসায় ফিরে রুমে ঢুকার আগেই লেটার বক্স খোলা। ওই দেশের বিভিন্ন কোম্পানি থেকে চিঠি আসে। ক্রেডিট কার্ডের বিল আসে। আমি আবার টাইম, নিউজউইক- এর গ্রাহক। তাই ম্যাগাজিন আসে। লেটার বক্স থেকে চিঠি নিয়ে আগে ১০/১৫ মিনিট ভাবতাম। কি হতে পারে চিঠির ভেতরের বিষয় বস্তু। ইউরোপ, আমেরিকায় যারা থাকেন তাদের বেশিরভাগ চিঠিতেই টাকা পাঠানোর কথা থাকে। আমি আবার ব্যাচেলর। খুব চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম ওই চিঠি পেয়ে। কে এই রানু? এ...

লক প্রোফাইলের ছবি ডাউনলোড করতে পারবেন।

 লক প্রোফাইলের ছবি ডাউনলোড করতে পারবেন।  --------------------------------------------------------------------- একাউন্টের নিরাপত্তা বাড়েতে ফেইসবুক কোম্পানি প্রোফাইল লক করে রাখার একটা অপশন চালু করেছে। একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী তার প্রোফাইল লক করে রাখলে অপরিচিত কোন আইডি থেকে লক করা আইডির কোন তথ্যই দেখতে পাবে না। শুধু আংশিকভাবে প্রোফাইলের কিছু নির্দিষ্ট তথ্য দেখতে পাবে। আপনি যদি কারো লক করা ফেসবুক প্রোফাইলে প্রবেশ করেন তাহলে তার প্রোফাইলে থাকা প্রোফাইল ফটো, কাভার ফটো খুলতে বা ডাউনলোড করতে পারবেন না। শুধু তাই নয় লক করা ফেইসবুক প্রোফাইলের স্ক্রিনশটও নেয়া যায় না। তবে একটা ট্রিক্স শিখলে তা ব্যবহার করে আপনি যেকোনো লক করা ফেইসবুক প্রোফাইলের প্রোফাইল ফটো এবং কাভার ফটো সহজে দেখতে এবং ডাউনলোড করতে পারবেন। সবাইকে অনুরোধ করবো এধরনের ট্রিক্স কখনই অসৎ উদ্দেশ্য বা খারাপ কাজে ব্যবহার করবেন না। করলে আপনি নিজেরই এর দায়ভার নিবেন। তাহলে চলুন দেখি কিভাবে ফেইসবুক লক করা প্রোফাইলে ছবি এবং কাভার ফটো দেখবেন এবং ডাউনলোড করবেন। ☞ প্রথমে আপনার ফেইসবুক এপ্লিকেশনে প্রবেশ করুন। ☞ যার প্রোফাইল ফটো দেখবেন বা ডাউনল...

হংকং টু ম্যানিলা

 হংকং টু ম্যানিলা                     ভ্রমণ  ------------------------ হংকং থেকে ক্যাথে প্যাসেফিক ( Cathay Pacific- হংকংয়ের এয়ারলাইন্স ) এয়ারলাইন্সে ম্যানিলা গিয়েছিলাম একদিন। সেই কবে ১৯৯৫ সালে। হংকং থেকে ম্যানিলা ৩ ঘন্টা ১০ মিনিটের ফ্লাইট। ঢাকা - কুয়ালালামপুর ফ্লাইটের সমান। ক্যাথে প্যাসেফিক এয়ারলাইন্সের ইনফ্লাইট সার্ভিস যেমন ভালো তেমনি বিমানগুলোও প্রায় নতুনের মতো। যাত্রীও হয় প্রচুর। হংকং-ম্যানিলা মাত্র ৩ ঘন্টার ছোট দূরত্ব হলেও ক্যাথে প্যাসিফিক এই রুটেও ৭৪৭-৪০০ এর মতো বড় বোয়িং ব্যবহার করে। ৫৫০ জন যাত্রী বহন করে 747-400 বোয়িং। বোয়িং কোম্পানির সবচেয়ে বড় বিমান 747-400।  বিমানে উঠে দেখি 747ই আমাদের ম্যানিলা নিয়ে যাবে। যাত্রীও প্রচুর ।  হংকং বৃটিশ কলোনি থাকাকালে ক্যাথে প্যাসেফিক ফ্লাইট সার্ভিস শুরু করে। ১৯৯৭ সালে হংকং চীনের  অধীনে চলে গেলেও এই ফ্লাইট সার্ভিস চীন বন্ধ করেনি।  ফিলিপিন্সের প্রতি আমার আগ্রহ ছিলো খুব। ১৯৮৬ সালে যখন জাপান গিয়েছিলাম তখন ম্যানিলাতে ২ ঘণ্টার ট্রানজিট ছিলো।  হংকং- ম্যানিলা খুব আনন্...

বাঙালী মুসলমান বড়ই বিচিত্র!!!!!

 বাঙালী মুসলমান বড়ই বিচিত্র!!!!! ------------------------------------------------; এ ধরনের আমার সব লেখাই বায়োগ্রাফি। আত্নজৈবনিক। কল্পনার রঙ মিশিয়ে কঠিন বাস্তবকে অযথা হৃদয়গ্রাহী করার চেষ্টা কখনো করি না। ছাত্রজীবনে পরিচিত কয়েকজনের অনুরোধে আমি কয়েকজন ছাত্রী পড়াতাম। মানে টিউশনি করতাম। আমার এক ছাত্রীর মা কখনোই আমার সামনে আসতেন না। খুব রক্ষণশীল ছিলেন বলে আমার মনে হতো। দরজার ফাঁক দিয়ে দু'একদিন দেখেছিলাম। খুব সুন্দরী ছিলেন তিনি। আমার দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া ছাত্রী পপিও খুব সুন্দরী ছিলো। আমি তখন ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়তাম। ছাত্রীর মা আমাকে খুব আদর করতেন। ছাত্রীকে দিয়ে ভালো ভালো খাবার পাঠাতেন। ছাত্রীর মাধ্যমে আমার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক খোঁজ খবর নিতেন। ছাত্রী বেশি কিছু জিজ্ঞেস করলে বিরক্ত হয়ে বলতাম, এতো কিছু জানতে চাও কেনো? ছাত্রী বলতো, আম্মু বলেছে আপনাকে জিজ্ঞেস করতে। পপিদের বাসা বাগিচাগাঁও ফারার বৃগেড অফিসের পাশেই যে পুকুর তার উত্তর পূর্ব কোণায়। একদিন পড়াবার সময় আমার সুন্দরী ছাত্রী বললো, স্যার,আপনি একটু ঘুরে বসেন। আম্মু বাজারে যাবে। আমি অবাক হয়ে ছাত্রীকে বললাম, তোমার আম্মু আমার সামনে আসে না,বাজা...

হ্যালো আপনাকে বলছি

 হ্যালো আপনাকে বলছি ---------------------------------- আপনি জঙ্গিদের মতো লম্বা দাড়ি রেখে ফেইসবুকে ধর্মীয় পোস্ট দিয়ে ফাটাই ফেলতেছেন। আপনার মতো ধার্মিক আর নেই। আপনাকে ইসলাম ধর্মের সোল এজেন্সি দেয়া হয়েছে? আপনি এবং আপনাদের মতবাদের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করলেই আপনারা নাস্তিক,ধর্ম বিরোধী বলেন! আপনার বাবা চাচারা সুদের উপরে টাকা নেয় এবং দেয় আপনি সেটা জানেন? অনেকের সুদের টাকা সময় মতো দিতে না পারায় আপনার চাচারা এখন পালিয়ে পালিয়ে থাকে। এক যৌন কর্মীর কাছ থেকেও আপনার বড় চাচা ৬ লাখ টাকা সুদের উপর নিয়েছে। আর কতো নীচে নামবেন আপনারা? মানুষকে মুখ দেখাতে লজ্জা করে না? আপনি এসব জানেন না? আপনি সব জানেন। তখন আপনার ইসলামী চেতনার দণ্ড খাড়ায় না? আপনার বাবা সুদের উপরে লাখ লাখ টাকা মানুষের কাছ থেকে নিয়ে বিভিন্ন কাজকর্ম করায়। আপনি জানেন না আপনার বাবার উপার্জনের সব টাকাই হারাম টাকা। সম্পদ যা আছে সবই হারামের টাকায়। আপনি সেই হারাম টাকার খাবার খেয়েই বড় হয়েছেন। এখন আপনার স্ত্রী সন্তানও হারাম টাকার খাবারই খায়। আপনার সন্তানের চিকিৎসা হয় হারাম টাকায়। কারণ বউ বাচ্চা খাওয়ানোর মতো যোগ্যতা আপনার নেই। আপনি বেহেশত নি...

আলিম ভাই চিঠি

 "বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম শ্রদ্ধেয় বড় ভাই, সালাম নিবেন। আপনার সাথে সরাসরি কথা না বলে চিঠি লিখছি কারন আমি ছোট ভাই হিসাবে চাইনা আপনার সাথে তর্কাতর্কি বা বেয়াদবি করি। এই চিঠিতে আমি কিছু বিষয় আপনাকে অবগত করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি। আশা করি আপনি মনোযোগ দিয়ে চিঠিটা পড়বেন এবং এখানে উল্লেখিত কোনো ভুল থাকলে আপনি বড় ভাই হিসাবে সংশোধন করে দেবেন। আজ থেকে ছয় বছর আগে আব্বা জীবিত থাকা অবস্থায় যখন ব্যবসা ভাগাভাগি হয়। আপনি ভাগ করে দিয়েছিলেন বড় ভাই হিসাবে। তখন আপনি বলেছিলেন যে, আপনি আর পাইকারি তথা হোল সেল ব্যবসা করবেন না। আপনার এতো পরিশ্রম আর ভালো লাগে না। আমিই যেন হোল সেল ব্যবসাটা করি। আপনি ডিস্ট্রিবিউশন ব্যবসা করবেন। সেই সিদ্ধান্তে আপনি পাঁচ তলায় চলে যান। গ্রাউন্ড ফ্লোরে আমাদের ৪টি দোকান আছে। নিয়ম ও আইন অনুযায়ী আমার দুইটি এবং আপনার দুইটি দোকান পাওয়ার কথা। আপনি আমার কাছে আবদার করলেন যে, আপনাকে যেন ৩টি দোকান দেই। আপনি সেগুলো ভাড়া দিয়ে চলবেন। নইলে পরিবার পরিজন নিয়ে চলতে আপনার কষ্ট হবে। আমি আমার বড় ভাইয়ের মঙ্গল কামনা করে আপনাকে ৩টি দোকান দেই এবং আমি একটি রাখি। ফ্রেন্ডস মেডিকেলের ব্যবসা তখন ঐ তিন...