সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

প্রেম ও ইবাদত

প্রেম ও ইবাদত
"ইবাদত করো প্রেমের মাধ্যমে " ।
স্কুল জীবনে এই লেখাটি আমি ৬৫% মুসলিম বাড়িতে দেখেছিলাম । স্কুল জীবনে ভেবেছিলাম ২৪ ঘন্টা আল্লাহকে ডাকার চেয়ে প্রেম করাই আমার কাছে ইবাদতের ভালো মাধ্যম বলে মনে হলো।
সেই থেকে "প্রেমের মাধ্যমে" ইবাদত করতে গিয়ে কতো যন্ত্রণা যে সইতে হয়েছে তার হিসেব করা শুধু কষ্টকর নয় অসম্ভবও বটে । দীর্ঘদিন ইউরোপ আমেরিকায় ছিলাম বলে আমার আচার আচরণ ও প্রকাশভঙ্গী অন্যদের চেয়ে কিছুটা ভিন্ন । ইউরোপ আমেরিকার লোকেরা কথায় কথায় মজা করে । ফান করে । মনে যা আসে তা সরাসরি বলে ফেলে । অনেক বছর তাদের সঙ্গে থেকে আমার ভেতরেও এই রোগ বাসা বেঁধেছে । আমি অনেক চেষ্টা করি ভাব নিয়ে মুরুব্বি টাইপ গম্ভীর প্রকৃতির হওয়ার কিন্তু পারিনা । হতে পারে বিদেশি ফানি ক্যারেকটারগুলো আমাকে প্রভাবিত করে । আর এতে অনেকেই আমাকে ভুল বুঝেন । আমাদের মতো কপট ভদ্রতা ওরা করেনা । আমরা যেটাকে ভদ্রতা বা ব্যক্তিত্বসম্পন্ন কাজ মনে করি পশ্চিমা কালচারে সেটা হিপোক্র্যসি । আমরা মেয়েদেরকে ভালোবাসার কথা বলি, সেক্সের কথা ভুলেও বলিনা । নারী পুরুষের প্রেম ভালোবাসায় সেক্স আসবেই । মনে মনে সেক্সই প্রধান বিষয় হলেও কেউ মুখে তা উচ্চারণ তো দূরের কথা নিজেকে সাধু প্রকাশ করতেই ব্যস্ত থাকে বেশি । মজার বিষয় হলো মেয়েরাও তাদেরকেই পছন্দ করে আর ব্যক্তিত্ববান মনে করে ।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

অশ্লীল নাম

বাংলাদেশের কিছু প্রতিষ্ঠান ও স্থানের বিচিত্র বা বিকৃত অর্থের নাম যা পরিবর্তন করা উচিতঃ ১. বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয়, বোদা, পঞ্চগড় ২. চুমাচুমি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি ৩. সোনাপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খুলনা ৪. মানুষমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নীলফামারি ৫. সোনাকাটা ইউনিয়ন, তালতলী, বরগুনা ৬.বড়বাল ইউনিয়ন, মিঠাপুকুর, রংপুর ৭.সোনাখাড়া ইউনিয়ন, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ ৮. ধনকামড়া গ্রাম, ভোদামারা, দিনাজপুর ৯.গোয়াকাটা, দোহার, ঢাকা ১০. গোয়াতলা, ময়মনসিংহ ১১.লেংটার হাট, মতলব, চাঁদপুর

বোতল

বোতল মানব জীবনে বোতল অপরিহার্য । বোতল অনেক অর্থেও ব্যবহার হয় । কোনো কোনো এলাকায় আনস্মার্ট, বেয়াক্কেল প্রকৃতির লোককেও বোতল বলা হয় । ইউরোপ আমেরিকায় থাকতে আমি ডৃংক করতাম । হার্ড ডৃংক কমই খেতাম । প্রতিদিনই বিয়ার খেতাম । বিয়ার স্বাস্থ্য ভালো রাখে ও কাজ করতে এনার্জি জোগায় । পরিমিত বিয়ার খেলে কেউ মাতাল হয় না । মাঝে মাঝে বিশেষ কোনো পার্টিতে হুইস্কি খাওয়া হতো । তাও দামি ব্র্যান্ডের । জনি ওয়াকার ব্ল্যাক লেবেল, টিচার্স, পাসপোর্ট, হেনেসি, শিভাস রিগাল, জ্যাক ড্যানিয়েলস । সাকুরায়ও অনেক সময় এসব ব্র্যান্ডের হুইস্কি পাওয়া যায় না । তো দেশে আসার পরও কিছু দিন ডৃংক করেছিলাম । কুমিল্লায় সরকার অনুমোদিত একটা মদের দোকান আছে চক বাজারে । নামঃ নাদের ট্রেডিং কোং । এটা প্রায় আজ ৫০ বছর । এখানে বিদেশি ব্র্যান্ডের ডৃংক পাওয়া যায় না । দেশিয় কোম্পানি ‘কেরো এন্ড কোং’ যা দর্শনায় অবস্থিত তার তৈরি ভদকা, হুইস্কি, জিন পাওয়া যায় । আমাদের সমাজতো রক্ষনশীল । তাই কান্দিরপাড় থেকে একটা স্প্রাইট কিনে অর্ধেক খেতে খেতে চক বাজার যেতাম । নাদেরে যখন পৌঁছতাম তখন স্প্রাইটের বোতল অর্ধেক খালি হয়ে যেতো । আমি বাবুল ভাইকে স্প্...

আমার দেখা ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ

আমার দেখা ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ সরকারঃ শেখ মুজিবের শাসনামল ১৯৭৪-এর দুর্ভিক্ষ বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালের মার্চে শুরু হয়ে সেই বছরেরই ডিসেম্বরের দিকে গিয়ে শেষ হয়। এই দুর্ভিক্ষে অসংখ্য মানুষ অনাহারে মারা গিয়েছিল। এই দুর্ভিক্ষকে স্মরণকালের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ানক হিসেবে গন্য করা হয়। ওই সময় আমি বুঝতাম। ক্লাশ ফোরে পড়তাম। আহারে ! কি যে অভাব ! অনেকের মতো আমরাও ভাত না খেয়ে রুটি খেয়েছি । তাও পরিমিত । কখনো জাউ খেয়েছি । শুকনো মরিচ পাওয়া যেতো না । কাঁচা মরিচের কেজি ছিলো ১৫০ টাকা । লবন ১২০ টাকা । আর সোনার ভরি ছিলো তখন ১৫০ টাকা । সোনা শুধু ওই সময় কম দাম ছিলো । চারদিকে অভাব । সারাদেশের মানুষের হাহাকার । কতো মানুষ না খেয়ে মারা গেছেন ! বিদেশি রিলিফ সব আওয়ামী লীগের লোকেরা চুরি করেছে । আর বেশিরভাগ রিলিফ সীমান্ত দিয়ে ভারতে চলে পাচার হয়েছিলো । তখন বর্ডার খোলা ছিলো তখন । মহিলাদের শাড়ি কাপড় ছিলো না । অনেকে মাছ ধরার জাল পরে লজ্জাস্থান ঢেকেছিলো । এসব ছবি পত্রিকায়ও ছাপা হয়েছিলো । কিন্তু আওয়ামী লীগ নেতাদের কোনো অভাব ছিলো না । বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শেষ হওয়ার মাত্র দুই বছর তিন মাসের মাথায় ...