আমেরিকার শীর্ষ দৈনিক দ্য নিউইয়র্ক টাইমস (The New York Times) অফিসের সামনে। নিউইয়র্ক থাকতে আমি পত্রিকাটির নিয়মিত পাঠক ছিলাম। তখন দাম ছিল মাত্র ৫০ সেন্ট।
আর রোববারের সংখ্যার দাম ছিল ২ ডলার। রোববারের নিউইয়র্ক টাইমস এর ওজন ছিল এক কেজি। মূল পত্রিকা ছাড়া বাকি সব বিজ্ঞাপনের পাতা।
তখন পত্রিকাটির নির্বাহী সম্পাদক (Executive Editor) ছিলেন জোসেফ লেলিভেল্ড ( Joseph Lelyveld)।
বর্তমানে নিউইয়র্ক টাইমস এর নির্বাহী সম্পাদক জোসেফ কান (Joseph Kahn)। আমি এখনো অনলাইনে নিউইয়র্ক টাইমস পড়ি।
নিউইয়র্ক টাইমস -এর চেয়ারম্যান ও পাবলিশার আর্থার সালজবার্গার (Arthu Sulzberger)।
প্রায় পাঁচ বছর প্রতিদিন সকাল বিকাল এই পত্রিকা অফিসের সামনে দিয়ে আমি কর্মক্ষেত্রে যাওয়া আসা করতাম। তখন আমি ঢাকা থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক যায়যায়দিন ম্যাগাজিনে লিখতাম। নিউ ইয়র্ক থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক ঠিকানা, সাপ্তাহিক প্রবাসী, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকায়'ও নিয়মিত লিখতাম।
সম্পাদক শফিক রেহমান ফোবানা সম্মেলনে আমন্ত্রিত অতিথি হয়ে নিউইয়র্ক গিয়েছিলেন সস্ত্রীক। (FOBANA -Federation of Bangladeshi Associations in North America)
যায়যায়দিন- এর লেখক বলে আমার জন্য গিফট হিসেবে তিনি এই গেঞ্জিটি নিয়ে গিয়েছিলেন যায়যায়দিন-এর লোগোসহ। আমি তখন ফ্লোরিডা ছিলাম। তিনি সস্ত্রীক ফ্লোরিডা গিয়েছিলেন আমার কাছে। সম্পাদক শফিক রেহমান ও মিসেস তালেয়া রেহমান- এর সঙ্গে ফ্লোরিডায় আমার অনেক ছবি আছে।
একবার আমি কন্টিনেন্টাল এয়ারলাইন্সে ফ্লোরিডা থেকে নিউইয়র্ক আসি বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে। ফ্লোরিডা- নিউইয়র্ক ১৮০০ কিলোমিটার দূরত্ব। ২ ঘন্টা ১০ মিনিটের ফ্লাইট।
তখন আমি আমার এই প্রিয় পত্রিকা অফিসের সামনে এই গেঞ্জি গায়ে কয়েকটি ছবি তুলেছিলাম। ফটোগ্রাফার ছিলেন বাংলা পত্রিকার তৎকালীন বিশেষ প্রতিনিধি মিস্টার আবু তাহের। তাহের সিলেটের লোক। আমার জুনিয়র। নিউ ইয়র্কের সাংবাদিক মহল আমাকে খুবই শ্রদ্ধা করতেন এবং ভালোবাসতেন।
যতদূর জানি আবু তাহের এখন বাংলা পত্রিকার সম্পাদক। নিজেকে লেখক লেখক মনে হতো তখন।
বিশ্বের প্রভাবশালী সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন Time এর অফিসের সামনেও এই গেঞ্জি গায়ে ছবি তুলেছি। সেটি আরেকদিন দেব।
Karim Chowdhury
18 June, 2026

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন