সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

শেখ হাসিনা এবং আমরা

 ● শেখ হাসিনা এবং আমরা 

-----------------------------

করিম চৌধুরী

( ২৩ বছর আগে আমেরিকা থেকে সাপ্তাহিক যায়যায়দিন-এর সমকাল বিভাগে এই লেখাটি লিখেছিলাম। ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পরাজিত হলে শেখ হাসিনা প্রায় পাগল হয়ে গিয়েছিলো।  ইমেইলে দেশ থেকে ও আমেরিকা থেকে অনেক হুমকি পেয়েছিলাম এই লেখা প্রকাশিত হবার পর। অবশ্য অনেকে আমাকে আন্তরিক অভিনন্দনও জানিয়ে ছিলেন। সাহসী লেখক হিসেবে প্রশংসা করেছিলেন। মোট ১৭৫ টা ইমেইল পেয়েছিলাম। সিনিয়ররা ওই সময়ের প্রেক্ষাপট চিন্তা করে লেখাটি পড়বেন। থ্যাংক ইউ।) 

১৭ জানুয়ারী ২০০৩ তারিখের ইত্তেফাকের ওয়েবসাইটে বিশেষ খবরের একটির শিরোনাম ছিল- যুক্তরাষ্ট্রের রেজিষ্ট্রেশন তালিকায় বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি অপমানজনক : পররাষ্ট্রনীতির ব্যর্থতা- শেখ হাসিনা। 

শেখ হাসিনার মতো নির্লজ্জ, মিথ্যুক ও বিকৃত মানসিকতার নেত্রীর মুখেই এ কথা মানায়। এই মহিলা আগেও অনেক অসংলগ্ন কথাবার্তা বলেছিলেন। গত নির্বাচনে তার দলের লজ্জাজনক পরাজয়ের পর মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যেসব কথা বহির্বিশ্বে বলেছেন তা কোনো দেশপ্রেমিক নেত্রী বলতে পারেন না। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মুখে কথাগুলো শুনে বার বার মনে প্রশ্ন জেগেছে, কিসের লোভে, কি প্রত্যাশায় দেশের বিরুদ্ধে, দেশের মানুষের বিরুদ্ধে তিনি এসব মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও মনগড়া বক্তব্য দিয়ে বেড়াচ্ছেন? 

কে না জানে, গত সাধারণ নির্বাচনে দেশের মানুষ তাকে ও তার দলকে প্রত্যাখ্যান করার পর দেশ এবং দেশের মানুষের বিরুদ্ধে তার মানসিক বিকার চরমে পৌঁছেছে। অনেক দিন আগে দেশের বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী তালুকদার মনিরুজ্জামান এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, শেখ হাসিনার ইনফিরিয়রিটি কমপেক্স হলো,

" মা মাইরা ফালাইছে, বাপ মাইরা ফালাইছে, ভাই-ভাবী মাইরা ফালাইছে, আত্মীয়স্বজন মাইরা ফালাইছে। কিছুই হয় নাই। বাংলাদেশে কোনো একটা মানুষ লাঠি নিয়া প্রতিবাদ করতে রাস্তায় নামে নাই.........। "

এই হীনমন্যতাবোধ থেকে শেখ হাসিনা আজো মুক্ত নয়। বাংলাদেশের মানুষের ওপর প্রতিশোধ নেয়ার জন্য সে জগদ্দল পাথরের মতো জাতির ঘাড়ে বসে আছে। শেখ হাসিনা ও তার ভারতীয় সাঙ্গপাঙ্গদের সহযোগিতায় দুই কুলাঙ্গার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বস্তাপচা কাহিনী লিখেছে হিন্দি সিনেমার স্টাইলে। ফার ইস্টার্ন ইকনমিক রিভিউতে ‘বিএওয়্যার অফ বাংলাদেশ’ শিরোনামে মিথ্যা রিপোর্ট লিখেছেন সাংবাদিক বারটিল লিন্টনার। তার এই লেখার জবাব দিয়েছেন সেই পত্রিকার সাবেক সম্পাদক ফিলিপ বাউরিং সাউথ চায়না মর্নিং পোষ্ট পত্রিকায় কলাম লিখে। জানা যায়, ঢাকায় সাবের হোসেন চৌধুরীর গাড়িতে লিন্টনার ঘোরাফেরা করেছেন। তিনি ছদ্ম পরিচয়ে ভারত হয়ে বাংলাদেশে এসেছিলেন। 

আরেকজন অসৎ সাংবাদিক টাইম ম্যাগাজিনে ‘ডেডলি কার্গো’ শিরোনামে যে প্রতিবেদন লিখেছেন তার সঙ্গে বাংলাদেশের বাস্তবতার কোনো মিল নেই বলে ঢাকায় নিযুক্ত আমেরিকান রাষ্ট্রদূত বলেছেন। টাইম ম্যাগাজিনের এই সাংবাদিকের নাম অ্যালেক্স পেরি। এই কুলাঙ্গারের কর্মস্থল নতুন দিল্লি। এদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন আওয়ামী লীগের দালাল ও ভারতীয় এজেন্ট বাংলাদেশের কিছু প্রবীণ লেখক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী। এই পন্ডিতেরা দিনের পর দিন আওয়ামী লীগের পক্ষে ভারতকে তোষামোদ করে বাংলাদেশ বিরোধী লেখা লিখে চলেছেন। আমরা অনুজ বলে মুরুব্বি শ্রেণীর এই লোকদেরকে কিছু বলি না। এদের একজন লন্ডনে থাকেন বাকিরা বাংলাদেশে থাকেন। এদের নীতি ও নৈতিকতা বলতে আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। এরা হই হই, রই রই করে কোরাস গায়। আওয়ামী লীগ ও ভারতকে খুশি করার জন্য মনের মাধুরী মিশিয়ে পত্রিকায় নিবন্ধ লেখে। কিন্তু এরা বাংলাদেশের খায় ও পরে। এদেরকে দেশ থেকে বের করে দেয়া উচিত। 

নির্বাচনে পরাজয়ের পর শেখ হাসিনা যতোবার ইউরোপ, আমেরিকা এসেছেন ততোবারই দেশের বিরুদ্ধে তিনি কথা বলেছেন। বেলজিয়ামের ব্রাসেলস- এ ইউরোপীয়ান কমিউনিটির কাছে কি বলেছেন তাও সচেতন পাঠকরা জানেন। তিনি যেখানেই যান সেখানেই দেশের বিরুদ্ধে কথা বলেন। তিনি ক্ষমতা হারানোর পর তিনবার আমেরিকায় এসেছেন। তার বাপের ডায়রি লেখার কাজে নাকি তিনি এসেছেন। অথচ পত্রপত্রিকার পাঠক মাত্রই আমরা জানি তার এ সফরগুলো ছিল রহস্যঘেরা। যথন মায়ামি-তে মেয়ের বাসায় থাকেন দুই তিন দিন তখন নাতনিকে কোলে নিয়ে ছবি তোলেন, পত্রিকায় খবর বের হয় তিনি বিশ্রাম নিচ্ছেন পরিবারের সঙ্গে। অথচ ওয়াশিংটন-এ যখন দশ দিন থাকেন তখন তার খবর কেউ জানে না। তিনি সেখানে কি করেন, কোথায় আছেন, কেন এই গোপনীয়তা? শোনা যায়, তিনি কিছু প্রতিষ্ঠিত সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে বুশ প্রশাসনকে প্রভাবিত করার জন্য গোপনে লবিইং ফার্ম নিয়োগ করেছেন যেন বাংলাদেশকে আল-কায়েদা ও মুসলিম মৌলবাদীদের স্বর্গরাজ্য হিসেবে পরিচিত করানো যায়। লন্ডন প্রবাসী সাংবাদিক গফুর মিয়া গত মাসে (ডিসেম্বরে) নিউ ইয়র্কে এসে যেসব কথাবার্তা বলছেন তা আওয়ামী লীগের বক্তব্য। এই কলমবাজ আসলে আওয়ামী লীগের ক্যাডার। জয়নাল হাজারী, শামীম ওসমান, হাসনাত আবদুল্লাহরা বাংলাদেশে অস্ত্র নিয়ে সন্ত্রাস করতো, তিনি করেন কলম দিয়ে। 

শেষবার যখন আমেরিকায় শেখ হাসিনা আসেন তার ছেলের বিয়ে উপলক্ষ্যে, গোপনে এই বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার পর আমেরিকা আওয়ামী লীগের অনেকেই হাসিনার মেয়ে পুতুলের মায়ামি বাসায় ফোন করাতে তাদেরকে বলা হয়েছিল যে, বিষয়টি পারিবারিক। তাই কাউকে বলা হয়নি। নিউ ইয়র্ক থেকে প্রকাশিত বাংলা ভাষার পত্রিকায় এসব খবর ছাপা হয়েছে। 

শুধু তাই নয়, আমেরিকায় বসবাসরত হাসিনার কিছু সাঙ্গপাঙ্গ যারা এখানে আওয়ামী লীগের নেতা তারা এমন সব কর্মকান্ড করেন যে সচেতন বাংলাদেশী হিসেবে তা দেখে আমরা লজ্জা পাই। মাত্র কয়েকদিন আগে নিউইয়র্ক-এ আওয়ামী লীগের এক সভায় এই অশিক্ষিত সাঙ্গপাঙ্গরা শেখ হাসিনার মুক্তি দাবি করে। শেখ হাসিনাকে নাকি বাংলাদেশে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ভুয়া খবরের সত্যতা যাচাই না করেই এই রামছাগলদের সভা থেকে হাসিনার মুক্তি দাবি করা হয়। নিউ ইয়র্ক থেকে প্রকাশিত বাংলা ভাষার পত্রপত্রিকায় এসব খবর সচিত্র প্রকাশিত হয়েছে। এরা আমেরিকায় থাকে, রাজনীতি করে। ছিঃ।

অনেক দিন আগে আমেরিকা সফরের সময় প্রবাসীদের রাজাকারের বাচ্চা বলে শেখ হাসিনা গালি দিয়েছিলেন। তাহলে বলবো হাসিনার ছেলে, মেয়ে, নাতনিসহ আমেরিকায় যারা আওয়ামী লীগ করে তারাও রাজাকার। শেখ হাসিনার মেয়ের জামাই খন্দকার মাসরুর তো রাজাকারেরই বাচ্চা।

নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত বাংলা পত্রিকাগুলোর সংবাদে দেখা যায় যে, শেষবার যখন শেখ হাসিনা আমেরিকায় আসে তখন তার চামচারা ভার্জিনিয়াতে আওয়ামী লীগের যে সমাবেশ করে তাতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথির ভাষণে এমন নগ্ন কথা বলেছেন যে, কোনো সুস্থ মানুষ যার ন্যূনতম আত্মসম্মানবোধ আছে তিনি বাবা-মা, ভাই-বোন ও ছেলে-সন্তানদের সামনের এমন নগ্ন কথা বলতে পারেন না। ওই সভায় শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশে এখন বাবাকে বেধে রেখে তার সামনেই মেয়েকে ধর্ষন করেছে। একজন মেয়ের বাবা বললেন, বাবারা, তোমরা সবাই এক সঙ্গে যেও না। আমার মেয়েটা নিতে পারবে না। একজন একজন করে যাও। পত্রিকায় এই খবর পড়ে মনে হয়েছে যেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ধর্ষণের সময় উপস্থিত ছিলেন। যেখানে বাংলাদেশী বাবা-মায়ের সামনে এসব নোংরা কথা বলতে পারেন সেই তিনি পারেন না এমন কি কিছু পৃথিবীতে আছে? 

কিছুদিন আগে শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা শেখ মুজিবের ছবির অপমান করে তারা ইয়াহিয়ার জারজ সন্তান। এখন আমরা যদি বলি, যারা আওয়ামী লীগ করে এবং তাদের পক্ষ লেখালেখি করে তারাই প্রকৃত জারজ। আমাদের বাবা-মা আমাদেরকে এসব নোংরা কথা বলতে শেখায়নি। 

আমার এক সিনিয়র বন্ধু কয়েকদিন আগে আমাকে বলেছেন, ১৯৭৫ সালে তোমরা কিশোর, অনেক কিছু জানো না। মানুষের মৃত্যু সংবাদ শুনলে আমরা ব্যথিত হই, দুঃখ প্রকাশ করি। কেউ কেউ ইন্না-লিল্লাহ ........... রাজেউন পড়ি। কিন্তু শেখ মুজিবের মৃত্যুর পর মানুষ আনন্দ প্রকাশ করেছে। আমরা আলহামদুলিল্লাহ  পড়েছি। 

আওয়ামী লীগ ছাড়াও আমেরিকায় শেখ হাসিনার আরেকটি সংগঠন আছে। এই সংগঠনের নাম হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। আমেরিকায় এই পরিষদের একমাত্র কাজ বাংলাদেশ বিরোধী প্রচারণা চালানো। গত বছর এরা আমেরিকান ষ্টেট ডিপার্টমেন্টে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে স্মারকলিপি দিয়েছে। এদের এক হিন্দু তো মুসলমানদেরকে হিন্দু ধর্ম গ্রহণের পরামর্শও দিয়েছে। কতো বড় স্পর্ধা!

আগেরবার বিরোধী দলের নেত্রী থাকার সময় শেখ হাসিনার নির্দেশে আওয়ামী লীগের হরতাল চলাকালে অফিসগামী  ভদ্রলোককে দিগম্বর করেছিল আওয়ামী বেয়াদবেরা। এই মহিলার কারণে আমেরিকায় ক্ষতিগ্রস্তরা যদি দেশে ফিরে তার বাড়ি ঘেরাও করে, তাকে টেনেহিঁচড়ে রাস্তায় এনে দিগম্বর করে দেয় তখন মানসকন্যা, ধানকন্যা, ভাষাকন্যা, ডিগ্রিকন্যা, মুখ রমণী, উপাধিকন্যা, ডাক্তার হাসিনা কি করবেন? 

করিম চৌধুরী

ফ্লোরিডা থেকে 

০২/০২/২০০৩

karimfl@aol.com

( ফেইসবুক বন্ধুদের জন্য ছোট নোট। আওয়ামী লেখক সৈয়দ শামসুল হক এক কৃষি অনুষ্ঠানে হাসিনাকে

 'ধানকন্যা ' উপাধি দিয়েছিলেন। একুশে ফেব্রুয়ারির এক অনুষ্ঠানে প্রফেসর আনিসুজ্জামান হাসিনাকে

 'ভাষাকন্যা' উপাধি দিয়েছিলেন। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় হাসিনা অনেকগুলো বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি নিয়েছিলেন টাকার বিনিময়ে। আওয়ামী লীগ তো তাকে গনতন্ত্রের 

' মানসকন্যা' বলতো। কাঠাল দিয়ে বার্গার বানানোর মতো ওই সময় তিনি কিছু রোগের চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছিলেন। 

তাই তিনি.... ডাক্তার,ধানকন্যা,ভাষাকন্যা,মানসকন্যা,অনেক ডিগ্রি কিনে নিয়েছিলেন তাই তিনি ' ডিগ্রি কন্যা '। আর যার এতো এতো উপাধি, তাই তিনি ' উপাধি কন্যা'। 

লন্ডন প্রবাসী সাংবাদিক গফুর মিয়া বলতে আবদুল গাফফার চৌধুরীকে বুঝানো হয়েছে। 

খুবই উত্তেজিতভাবে আমি নিবন্ধটি লিখেছিলাম।)

@highlight

#follower #followerseveryone #Bangladesh #BNPMediaCell #BNP

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

আমার দেখা ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ

আমার দেখা ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ সরকারঃ শেখ মুজিবের শাসনামল ১৯৭৪-এর দুর্ভিক্ষ বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালের মার্চে শুরু হয়ে সেই বছরেরই ডিসেম্বরের দিকে গিয়ে শেষ হয়। এই দুর্ভিক্ষে অসংখ্য মানুষ অনাহারে মারা গিয়েছিল। এই দুর্ভিক্ষকে স্মরণকালের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ানক হিসেবে গন্য করা হয়। ওই সময় আমি বুঝতাম। ক্লাশ ফোরে পড়তাম। আহারে ! কি যে অভাব ! অনেকের মতো আমরাও ভাত না খেয়ে রুটি খেয়েছি । তাও পরিমিত । কখনো জাউ খেয়েছি । শুকনো মরিচ পাওয়া যেতো না । কাঁচা মরিচের কেজি ছিলো ১৫০ টাকা । লবন ১২০ টাকা । আর সোনার ভরি ছিলো তখন ১৫০ টাকা । সোনা শুধু ওই সময় কম দাম ছিলো । চারদিকে অভাব । সারাদেশের মানুষের হাহাকার । কতো মানুষ না খেয়ে মারা গেছেন ! বিদেশি রিলিফ সব আওয়ামী লীগের লোকেরা চুরি করেছে । আর বেশিরভাগ রিলিফ সীমান্ত দিয়ে ভারতে চলে পাচার হয়েছিলো । তখন বর্ডার খোলা ছিলো তখন । মহিলাদের শাড়ি কাপড় ছিলো না । অনেকে মাছ ধরার জাল পরে লজ্জাস্থান ঢেকেছিলো । এসব ছবি পত্রিকায়ও ছাপা হয়েছিলো । কিন্তু আওয়ামী লীগ নেতাদের কোনো অভাব ছিলো না । বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শেষ হওয়ার মাত্র দুই বছর তিন মাসের মাথায় ...

অশ্লীল নাম

বাংলাদেশের কিছু প্রতিষ্ঠান ও স্থানের বিচিত্র বা বিকৃত অর্থের নাম যা পরিবর্তন করা উচিতঃ ১. বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয়, বোদা, পঞ্চগড় ২. চুমাচুমি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি ৩. সোনাপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খুলনা ৪. মানুষমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নীলফামারি ৫. সোনাকাটা ইউনিয়ন, তালতলী, বরগুনা ৬.বড়বাল ইউনিয়ন, মিঠাপুকুর, রংপুর ৭.সোনাখাড়া ইউনিয়ন, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ ৮. ধনকামড়া গ্রাম, ভোদামারা, দিনাজপুর ৯.গোয়াকাটা, দোহার, ঢাকা ১০. গোয়াতলা, ময়মনসিংহ ১১.লেংটার হাট, মতলব, চাঁদপুর

বোতল

বোতল মানব জীবনে বোতল অপরিহার্য । বোতল অনেক অর্থেও ব্যবহার হয় । কোনো কোনো এলাকায় আনস্মার্ট, বেয়াক্কেল প্রকৃতির লোককেও বোতল বলা হয় । ইউরোপ আমেরিকায় থাকতে আমি ডৃংক করতাম । হার্ড ডৃংক কমই খেতাম । প্রতিদিনই বিয়ার খেতাম । বিয়ার স্বাস্থ্য ভালো রাখে ও কাজ করতে এনার্জি জোগায় । পরিমিত বিয়ার খেলে কেউ মাতাল হয় না । মাঝে মাঝে বিশেষ কোনো পার্টিতে হুইস্কি খাওয়া হতো । তাও দামি ব্র্যান্ডের । জনি ওয়াকার ব্ল্যাক লেবেল, টিচার্স, পাসপোর্ট, হেনেসি, শিভাস রিগাল, জ্যাক ড্যানিয়েলস । সাকুরায়ও অনেক সময় এসব ব্র্যান্ডের হুইস্কি পাওয়া যায় না । তো দেশে আসার পরও কিছু দিন ডৃংক করেছিলাম । কুমিল্লায় সরকার অনুমোদিত একটা মদের দোকান আছে চক বাজারে । নামঃ নাদের ট্রেডিং কোং । এটা প্রায় আজ ৫০ বছর । এখানে বিদেশি ব্র্যান্ডের ডৃংক পাওয়া যায় না । দেশিয় কোম্পানি ‘কেরো এন্ড কোং’ যা দর্শনায় অবস্থিত তার তৈরি ভদকা, হুইস্কি, জিন পাওয়া যায় । আমাদের সমাজতো রক্ষনশীল । তাই কান্দিরপাড় থেকে একটা স্প্রাইট কিনে অর্ধেক খেতে খেতে চক বাজার যেতাম । নাদেরে যখন পৌঁছতাম তখন স্প্রাইটের বোতল অর্ধেক খালি হয়ে যেতো । আমি বাবুল ভাইকে স্প্...