সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

আজকের খেলায় আমি স্পেনকে সমর্থন করি। কেন?

 আজকের খেলায় আমি স্পেনকে সমর্থন করি। কেন?

------------------------------------------------------

ফিলিস্তিনের পক্ষে স্পেনের অবস্থান অত্যন্ত জোরালো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে তারা অন্যতম প্রধান ফিলিস্তিনপন্থী রাষ্ট্র। ২০২৪ সালের মে মাসে স্পেন আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এছাড়া গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তারা ইসরায়েলে অস্ত্র রপ্তানি স্থগিত করা, ফিলিস্তিনিদের জন্য মানবিক সহায়তা প্রদান এবং ফিলিস্তিনি শিশুদের স্পেনে এনে চিকিৎসার ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নিয়েছে।স্পেনের ফিলিস্তিন-বান্ধব নীতি ও পদক্ষেপগুলো নিচে দেওয়া হলো:

রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি: ২০২৪ সালের ২৮ মে স্পেন আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়। নরওয়ে ও আয়ারল্যান্ডের সাথে যৌথভাবে তারা এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

আন্তর্জাতিক আদালতে সমর্থন: দক্ষিণ আফ্রিকার দায়ের করা মামলায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ICJ) ফিলিস্তিনকে সমর্থন জানিয়েছে স্পেন।

মানবিক সহায়তা ও আশ্রয়: গাজা উপত্যকা থেকে গুরুতর অসুস্থ ফিলিস্তিনি শিশু ও তাদের পরিবারকে চিকিৎসার জন্য স্পেনে নিয়ে আসা হয়েছে।

অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা: সংঘাত শুরুর পর ইসরায়েলে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানি স্থগিত করে স্পেন। ফিলিস্তিন ইস্যুতে স্পেনের এই অবস্থান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।

আর ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইল ও আমেরিকার যুদ্ধে স্পেনের অবস্থান।

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার চলমান সংঘাতে স্পেন কঠোরভাবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল অক্ষের বিরোধিতায় অবস্থান নিয়েছে এবং যুদ্ধ থেকে পুরোপুরি দূরে থাকার নীতি গ্রহণ করেছে। স্পেনের অবস্থান মূলত তাদের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা, আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা এবং মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনের ওপর ভিত্তি করে গঠিত।স্পেনের অবস্থানের প্রধান দিকগুলো নিচে দেওয়া হলো:

যৌথ সামরিক অভিযানে অস্বীকৃতি: স্পেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসে ম্যানুয়েল আলবারেস স্পষ্ট করেছেন, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো সামরিক অভিযানে স্পেন অংশ নেবে না।

ঘাঁটি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা: সংঘাতের সময় স্পেন তাদের দক্ষিণাঞ্চলীয় রোটা ও মোরন সামরিক ঘাঁটি থেকে মার্কিন বিমান ও বাহিনীকে ইরানে হামলা চালানোর কাজে ব্যবহার করতে দেয়নি।

কূটনৈতিক বিরোধ: ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলার কড়া সমালোচনা করার কারণে স্পেনের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে বড় ধরনের টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে। এর জেরে তেল আবিব থেকে স্পেন তাদের রাষ্ট্রদূতকে স্থায়ীভাবে প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

জনমত: সরকারি এই অবস্থানের পেছনে স্পেনের সিংহভাগ নাগরিক ও বামপন্থী সরকারের সমর্থন রয়েছে।

জায়োনিস্টদের দোসর এই আর্জেন্টিনা।

******************************

আমি আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করি না একটি মাত্র প্রধান কারণে। আর্জেন্টিনা কট্টরভাবে ইসরাইলকে সমর্থন করে। 

এই বছর ফেব্রুয়ারির ২৮ তারিখ আমেরিকা- ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি এবং বেশ কয়েকজন জেনারেল নিহত হবার পর এপ্রিল মাসে মানে তিন মাস আগে  আর্জেন্টাইন প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই (Javier Milei) ইসরাইল সফর করে ইসরাইলের প্রতি আর্জেন্টিনার পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছিলো।

জায়োনিস্টদের দোসর এই আর্জেন্টিনা।

ইরানের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধে ইসরাইলের সাথে সংহতি প্রকাশ করে আর্জেন্টিনা। গত পরশুদিন আর্জেন্টাইন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, এই বিশ্বকাপ থেকে আর্জেন্টিনা যে টাকা আয় করবে তা যুদ্ধে আহত  ইসরাইলি শিশুদের জন্য খরচ করবে।

আর্জেন্টিনা যত বড় ভালো টিমই হোক আর মেসি যত বড় খেলোয়াড়ই হোক আমি তাদেরকে মনেপ্রাণে ঘৃণা করি।

Karim Chowdhury

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

আমার দেখা ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ

আমার দেখা ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ সরকারঃ শেখ মুজিবের শাসনামল ১৯৭৪-এর দুর্ভিক্ষ বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালের মার্চে শুরু হয়ে সেই বছরেরই ডিসেম্বরের দিকে গিয়ে শেষ হয়। এই দুর্ভিক্ষে অসংখ্য মানুষ অনাহারে মারা গিয়েছিল। এই দুর্ভিক্ষকে স্মরণকালের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ানক হিসেবে গন্য করা হয়। ওই সময় আমি বুঝতাম। ক্লাশ ফোরে পড়তাম। আহারে ! কি যে অভাব ! অনেকের মতো আমরাও ভাত না খেয়ে রুটি খেয়েছি । তাও পরিমিত । কখনো জাউ খেয়েছি । শুকনো মরিচ পাওয়া যেতো না । কাঁচা মরিচের কেজি ছিলো ১৫০ টাকা । লবন ১২০ টাকা । আর সোনার ভরি ছিলো তখন ১৫০ টাকা । সোনা শুধু ওই সময় কম দাম ছিলো । চারদিকে অভাব । সারাদেশের মানুষের হাহাকার । কতো মানুষ না খেয়ে মারা গেছেন ! বিদেশি রিলিফ সব আওয়ামী লীগের লোকেরা চুরি করেছে । আর বেশিরভাগ রিলিফ সীমান্ত দিয়ে ভারতে চলে পাচার হয়েছিলো । তখন বর্ডার খোলা ছিলো তখন । মহিলাদের শাড়ি কাপড় ছিলো না । অনেকে মাছ ধরার জাল পরে লজ্জাস্থান ঢেকেছিলো । এসব ছবি পত্রিকায়ও ছাপা হয়েছিলো । কিন্তু আওয়ামী লীগ নেতাদের কোনো অভাব ছিলো না । বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শেষ হওয়ার মাত্র দুই বছর তিন মাসের মাথায় ...

অশ্লীল নাম

বাংলাদেশের কিছু প্রতিষ্ঠান ও স্থানের বিচিত্র বা বিকৃত অর্থের নাম যা পরিবর্তন করা উচিতঃ ১. বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয়, বোদা, পঞ্চগড় ২. চুমাচুমি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি ৩. সোনাপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খুলনা ৪. মানুষমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নীলফামারি ৫. সোনাকাটা ইউনিয়ন, তালতলী, বরগুনা ৬.বড়বাল ইউনিয়ন, মিঠাপুকুর, রংপুর ৭.সোনাখাড়া ইউনিয়ন, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ ৮. ধনকামড়া গ্রাম, ভোদামারা, দিনাজপুর ৯.গোয়াকাটা, দোহার, ঢাকা ১০. গোয়াতলা, ময়মনসিংহ ১১.লেংটার হাট, মতলব, চাঁদপুর

বোতল

বোতল মানব জীবনে বোতল অপরিহার্য । বোতল অনেক অর্থেও ব্যবহার হয় । কোনো কোনো এলাকায় আনস্মার্ট, বেয়াক্কেল প্রকৃতির লোককেও বোতল বলা হয় । ইউরোপ আমেরিকায় থাকতে আমি ডৃংক করতাম । হার্ড ডৃংক কমই খেতাম । প্রতিদিনই বিয়ার খেতাম । বিয়ার স্বাস্থ্য ভালো রাখে ও কাজ করতে এনার্জি জোগায় । পরিমিত বিয়ার খেলে কেউ মাতাল হয় না । মাঝে মাঝে বিশেষ কোনো পার্টিতে হুইস্কি খাওয়া হতো । তাও দামি ব্র্যান্ডের । জনি ওয়াকার ব্ল্যাক লেবেল, টিচার্স, পাসপোর্ট, হেনেসি, শিভাস রিগাল, জ্যাক ড্যানিয়েলস । সাকুরায়ও অনেক সময় এসব ব্র্যান্ডের হুইস্কি পাওয়া যায় না । তো দেশে আসার পরও কিছু দিন ডৃংক করেছিলাম । কুমিল্লায় সরকার অনুমোদিত একটা মদের দোকান আছে চক বাজারে । নামঃ নাদের ট্রেডিং কোং । এটা প্রায় আজ ৫০ বছর । এখানে বিদেশি ব্র্যান্ডের ডৃংক পাওয়া যায় না । দেশিয় কোম্পানি ‘কেরো এন্ড কোং’ যা দর্শনায় অবস্থিত তার তৈরি ভদকা, হুইস্কি, জিন পাওয়া যায় । আমাদের সমাজতো রক্ষনশীল । তাই কান্দিরপাড় থেকে একটা স্প্রাইট কিনে অর্ধেক খেতে খেতে চক বাজার যেতাম । নাদেরে যখন পৌঁছতাম তখন স্প্রাইটের বোতল অর্ধেক খালি হয়ে যেতো । আমি বাবুল ভাইকে স্প্...