সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

বিয়ে

বিয়ে আমার সবকিছুতেই একটু পাগলামি থাকে। ২০০৫ সাল। আমি থাকি ইস্টার্ন প্লাজার পেছনে সেন্ট্রাল রোডের এক বাসায়। জার্নালিজমের উপর একটা পোষ্ট গ্র‍্যাজুয়েশন কোর্স করছিলাম তখন। আমেরিকা থেকে এসেছিলাম ২০০৪ সালে। আমেরিকা থেকে এসে কেউ সাংবাদিকতার কোর্স করে বলে আমার জানা নেই। এটাও এক পাগলামি। শফিক রেহমানের সঙ্গে কথা হয়েছে দৈনিক যায়যায়দিনে কাজ করবো। যেহেতু সাপ্তাহিক যায়যায়দিনে ১০ বছর লিখেছি এবং ২৬টি দেশ ভ্রমণ করার অভিজ্ঞতা আছে বলে আমার অগ্রাধিকার থাকবে বলে সম্পাদক আমাকে ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কে কাজ করার আশ্বাস দিয়েছিলেন। তো একদিন একটা ফতুয়া কিনবো বলে গেলাম রাইফেলস স্কোয়ারের( বর্তমানে সীমান্ত স্কোয়ার) পাশে এমবালা কমপ্লেক্সে( Ambala Complex)। ওই মার্কেটের চারতলায় ডিডি মানে ডেসি ডেল( Dressy Dale)। বেশ অভিজাত রেডিমেড কাপড়ের দোকান। ছেলেদের শুধু পাঞ্জাবি আর ফতুয়া আছে। আর সব আইটেম মেয়েদের। শাড়ি, থৃ পিস,লেহেঙ্গা। সব আইটেমই দামি। কাস্টমারও সব ধনী। সব আইটেম ডিডির নিজস্ব প্রোডাকশন। আমিও তখন ধনী। আমেরিকান ডলারের ঝনঝনানি তখনো বেশ আছে। আমি ডিডিতে ঢুকেই দেখি একঝাক মেয়ে সেলস গার্ল। আমি ফতুয়া স...

নাম

  নাম গতকাল আমাদের দেশের কিছু নাম নিয়ে অল্প কিছু লিখেছিলাম । এতে অনেকেই রাগ করেছেন । আমি কি বুঝ াতে চেয়েছিলাম তা অনেকে বুঝতেই পারেন নি । দেশপ্রেমের সঙ্গে যে নামের কোনো সম্পর্ক নেই এটা বুঝার মেধা আল্লাহ তাদের দেন নি । নাম নিয়ে মানুষ কতো রকমের বিভ্রান্তিতে পড়ে তা জানতে কাইন্ডলি এই নোটটা পড়ে নেবেন । জীবন চলার পথে আমি যা শিখেছি তাই লিখি । এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার সার্টিফিকেট ও মার্কশীটে রোল নাম্বার কিভাবে লিখে তা সকলের জানা আছে । পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোর নাম খেয়াল করবেন । যেমন কেন্দ্রের নাম যদি হয় কুমিল্লা তবে লেখা হয় কেন্দ্র-কুম । নং .........। কেন্দ্রের নাম যদি হয় বুড়িচং তবে লেখা হয় কেন্দ্র বুড়ি । নং.........। তেমনি ছাগলনাইয়া হলে লেখা হয় কেন্দ্র ছাগল । নং.........। বিয়ানী বাজার হলে লেখা হয় কেন্দ্র- বিয়ানী । নং......... । ছাত্র জীবনে কিছু সময় কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে চাকরি করেছিলাম । আমরাও পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোর সংক্ষিপ্ত নামই বলতাম । যেমনঃ কুম, বুড়ি, ছাগল, বিয়ানী । আগে আমাদের সময় সংশ্লিস্ট বিষয়ের শিক্ষকরা খাতা দেখার পর তা শিক্ষা বোর্ডে জমা দিতেন । তারপর বড় খাতায় পরীক্ষার্থীর ন...

ইয়েল ইউনিভার্সিটি

  ইয়েল ইউনিভার্সিটি গ্রীক দার্শনিক সক্রেটিস বলেছিলেন, নিজেকে জানো। Know Thyself. নিজেকে জানা এবং জ্ঞানচর্চার জন্য কালে কালে পৃথিবীর নান া দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে অসংখ্য ইউনিভার্সিটি । এগুলোর মধ্যে গুনগত মানের দিক থেকে কোনোটি আবার পরিণত হয়েছে শীর্ষস্থানীয় ইউনিভার্সিটিতে । বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় ইউনিভার্সিটির মধ্যে আমেরিকার ইয়েল (Yale) ইউনিভার্সিটি একটি । তখন আমেরিকায় থাকতাম । আমার ছোট আপা ফরিদার অফিসের ম্যানেজার আমাকে ছাত্রজীবন থেকেই খুব স্নেহ করতেন । অফিসের ম্যানেজার হলেও আমাদের ফ্যামিলির সবাইকে তিনি চিনতেন এবং ভালোবাসতেন । তাই আপাসহ আমরা সবাই ওই মধ্য বয়সি ভদ্র মহিলাকে চাচিআম্মা ডাকতাম । আমি যে পাড়ায় বেশি আড্ডা মারতাম ম্যানেজার চাচির বাসা ওই পাড়াতেই । রেইস কোর্স । সকাল বিকাল অফিসে যাওয়ার সময় চাচিআম্মা আমাকে দেখতেন । আমি বিনীতভাবে চাচিকে সালাম দিতাম । এসএসসি-এইচএসসি দুটো পরীক্ষাতেই আমার ফার্স্ট ডিভিশন ছিলো বলে অনেকেই আমাকে ভালো ছাত্র হিসেবে আদর করতেন । ম্যানেজার চাচিও । ছাত্রত্ব শেষ করে ইউরোপ কয়েক বছর থেকে ১৯৯৫ তে গেলা...

সুইজারল্যান্ড

আমাদের দেশে তরুণ তরুণীদের মাঝে একটা ভুল ধারণা আছে যে, সুইজারল্যান্ড পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর দেশ । অনেক বড়রাও তাই মনে করে । এই কথা তারা কোথায় পেয়েছে তা আজো বুঝতে পারি নি । অনেকে আমাকে এই প্রশ্নটি করেছেও । উত্তরে বলেছি, একেকটা দেশ একেক রকম সুন্দর । কেউ কারো মতো নয় । প্রতিটি দেশেরই নিজস্ব সৌন্দর্য আছে । অস্টৃয়ার প্রতিবেশি বেশ কয়েকটি দেশ । জার্মানি,সুইজারল্যান্ড,ইটালি,চেক রিপাবলিক,স্লোভাকিয়া,হাঙ্গেরি, স্লোভেনিয়া, লিখতেনস্টাইন( Liechtenstein) নামে আরেকটি ছোট দেশ আছে অস্টৃয়ার প্রতিবেশি । যার নাম অনেকেই জানে না । রাজতন্ত্রে শাসিত লিখতেনস্টাইন । রাজধানী ভাদুজ (Vaduz) । ৬২ বর্গমাইল আয়তনের এই দেশটির লোকসংখ্যা ৩৭ হাজার । অস্টৃয়ার চারপাশে এই আটটি দেশ । ইচ্ছা করলেই ঘুরে আসা যায় । আমি প্রতিবেশি ছয়টি দেশেই গিয়েছিলাম । তরুণ বয়সের উচ্ছলতা । অনেকেই জানতে চান এতো টাকা আমি কি করেছি ? জাপান, ইউরোপ, আমেরিকায় ১৮ বছর কাটিয়েছি । যারা আমাকে অপছন্দ করে তারা পেছনে বদনাম করে । আজে বাজে কথা বলে । টাকা রোজগার করে জমানোই কি মানুষের জীবনের একমাত্র লক্ষ্য ? জমিয়ে রাখার চেয়ে খরচ করতেই তো আনন্দ বেশি । সুই...

Letter of Resignation

Date: 10.04.2017 at 12:20am To Dr. A.K.M. Abdus Selim Honourable President Alekjan Memorial High School and College Durgapur, Dighirpar Comilla-3500 Subject: Letter of Resignation. Dear Sir, I am constraint to write this note with a considerable degree of regret. Alekjan Memorial High School and College is running out of order . The way school is running is not good at all. Administrative failure is the main reason for present impasse. Punctuality, Responsibility, Honesty, Mutual Respect, Manners, Teaching Method, Guidelines everything is going wrong in the School Campus and Office. Dirty politics is the hobby of some teachers which is detestable. My perception is that the way you are running the school, it will neither strengthen the Administration nor it will help to overcome the present impasse. Under the circumstances stated above, I am sorry to inform you on my facebook Timeline that I must not continue to serve in your school with effect...

প্রেম ও ইবাদত

প্রেম ও ইবাদত "ইবাদত করো প্রেমের মাধ্যমে " । স্কুল জীবনে এই লেখাটি আমি ৬৫% মুসলিম বাড়িতে দেখেছিলাম । স্কুল জীবনে ভেবেছিলাম ২৪ ঘন্টা আল্লাহকে ডাকার চেয়ে প্রেম করাই আমার কাছে ইবাদতের ভালো মাধ্যম বলে মনে হলো। সেই থেকে "প্রেমের মাধ্যমে" ইবাদত করতে গিয়ে কতো যন্ত্রণা যে সইতে হয়েছে তার হিসেব করা শুধু কষ্টকর নয় অসম্ভবও বটে । দীর্ঘদিন ইউরোপ আমেরিকায় ছিলাম বলে আমার আচার আচরণ ও প্রকাশভঙ্গী অন্যদের চেয়ে কিছুটা ভিন্ন । ইউরোপ আমেরিকার ল োকেরা কথায় কথায় মজা করে । ফান করে । মনে যা আসে তা সরাসরি বলে ফেলে । অনেক বছর তাদের সঙ্গে থেকে আমার ভেতরেও এই রোগ বাসা বেঁধেছে । আমি অনেক চেষ্টা করি ভাব নিয়ে মুরুব্বি টাইপ গম্ভীর প্রকৃতির হওয়ার কিন্তু পারিনা । হতে পারে বিদেশি ফানি ক্যারেকটারগুলো আমাকে প্রভাবিত করে । আর এতে অনেকেই আমাকে ভুল বুঝেন । আমাদের মতো কপট ভদ্রতা ওরা করেনা । আমরা যেটাকে ভদ্রতা বা ব্যক্তিত্বসম্পন্ন কাজ মনে করি পশ্চিমা কালচারে সেটা হিপোক্র্যসি । আমরা মেয়েদেরকে ভালোবাসার কথা বলি, সেক্সের কথা ভুলেও বলিনা । নারী পুরুষের প্রেম ভালোবাসায় সেক্স আসবেই । মনে মনে সেক্স...

ইবাদত করো প্রেমের মাধ্যমে

  ইবাদত করো প্রেমের মাধ্যমে   কুশি কাটা দিয়ে যেভাবে সুয়েটার বুনতেন সে রকম সুঁই দিয়ে রঙিন সুতায় কাপড়ে লিখতেন অনেক কিছু । সেগুলো আবার ফ্রেম করে বাঁধিয়ে রাখতেন । ঘরে শোভা পেতো। যেমনঃ ১।“ভুলোনা আমায়”। ২। “যাও পাখি বলো তারে সে যেনো ভুলে না মোরে”। এ জাতীয় অনেক লেখা দেখতাম । যে লেখাটি সবচেয়ে বেশি বাড়িতে দেখেছি তা হলো... “ইবাদত করো প্রেমের মাধ্যমে”। দশম শ্রেণিতে উঠেই কিছুটা বেশি বুঝতে লাগলাম । বয়ঃসন্ধিকাল । বেশিই বুঝার কথা ! এই লেখা পড়ে আমি ভেবেছিলাম, ২৪ ঘন্টা আল্লাহকে ডাকার চেয়ে প্রেম করাই ইবাদতের শ্রেষ্ঠ পথ । কাজেই ইবাদতে মনযোগ দিলাম । জীবনে অনেক ইবাদত করলাম । বেশি ইবাদতকালীন সময়ের ছবি । আমাদের স্কুল জীবনে যতো বাড়িতে গিয়েছি, দেখেছি সবার ঘরে একটা বাণী লেখা থাকতো । আগে মহিলারা