সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

কাবেরী ও এক নিষ্কলুষ ভালোবাসা

কাবেরী ও এক নিষ্কলুষ ভালোবাসা কাবেরীর সঙ্গে আমার পরিচয় ২০১৬ সালের জুন মাসে । আজ থেকে দুই বছর আগে । ফেবুতে আমরা বন্ধু হই । তারপর ঘনিষ্ঠতা । তাঁর পুরো নাম কাবেরী মির্জা । প্রথম যখন বন্ধু হই তখনো কাবেরীর প্রোফাইলে তেমন কিছুই ছিলো না । শুধু লেখা ছিলো Lives in Dhaka. তাঁর হোম ডিস্ট্রিক্টও উল্লেখ ছিলো না । অন্য অনেকের মতো কাবেরীও আমার লেখা খুব পছন্দ করতো । আমাকে যারা চেনেন তারা জানেন যে, এক সময়ের তুমুল জনপ্রিয় সাপ্তাহিক যায়যায়দিন ম্যাগাজিনে তরুণ লেখকদের মধ্যে আমি বেশ জনপ্রিয় ছিলাম । ফেবুতে আমার লেখার স্টাইলও অনেকটা সে ধরণের । আমি জনপ্রিয় ছিলাম তা বর্তমানে নিউ ইয়র্কে বসবাসকারী Lovloo Reza , যিনি যায়যায়দিনের বিশাল কর্মী বাহিনীর একজন তিনি যেমন জানেন, অত্যন্ত আন্তরিক জুনিয়র বন্ধু তৎকালীন যায়যায়দিনের গবেষণা সহকারী সজীব ওনাসিস ও তার স্ত্রীও জানেন আমার জনপ্রিয়তা । সজীবের স্ত্রী Farhana Tania আমার লিস্টে আছেন । তিনিও একজন সাংবাদিক । আমি সজীবের শ্যামলীর বাসায় অনেক গিয়েছি, খেয়েছি, রাতে থেকেছিও । সজীব ওনাসিনের বাবা মাও আমাকে লেখক...

ফ্লোরিডাতে নৌ-ভ্রমণ

ফ্লোরিডাতে নৌ-ভ্রমণ করিম চৌধুরী ( লেখাটি যায়যায়দিনের বিশেষ "নৌ ভ্রমণ" সংখ্যায় ছাপা হয়েছিলো । লিখেছিলাম ফ্লোরিডা থেকে।) একদিন খুব মন খারাপ ছিলো। ফ্লোরিডায় গিয়েছি নিউ ইয়র্ক থেকে । নিউ ইয়র্কের মতো কসমোপলিটন সিটি থেকে বাইরে গেলে প্রথম প্রথম একটু খারাপ লাগে । আমি ফ্লোরিডায় যে সিটিতে ছিলাম তার নাম ফোর্ট মায়ার্স । একেবারে মেক্সিকো উপসাগর ঘেঁষে । বাসা থেকে সাগরের গর্জন শোনা যায় । খুব কম মানুষের বসবাস । এসব অঞ্চলকে কান্ট্রি সাইড বলা হয় । ফ্লোরিডায় কখনোই তুষারপাত হয় না । এই জন্যই ফ্লোরিডার ডাক নাম সানসাইন স্টেট । আবহাওয়া ঠিক বাংলাদেশের মতো । সারা বছর বেশ গরম ফ্লোরিডায় । ডিসেম্বর ,জানুয়ারিতে আবহাওয়া একটু ঠান্ডা হলেও বাংলাদেশের চেয়েও কম শীত । কোস্টাল স্টেট বলে ঝড়, বৃষ্টি, সাইক্লোন,টর্নেডো ফ্লোরিডায় লেগেই থাকে । পশ্চিমা দেশে কোনো স্টেট এমন হতে পারে তা না দেখলে বিশ্বাসই হবে না । ফ্লোরিডার তিন দিকেই সমুদ্র । আটলান্টিক মহাসাগর আর মেক্সিকো উপসাগর ঘিরে রেখেছে ফ্লোরিডাকে । অন্য দিকে জর্জিয়া আর অ্যালাবামা স্টেট । আমেরিকার প্রতিটি স্টেটের আবহাওয়া ও আরো কিছু বিশেষত্বের জন্য ৫০টি স্...

সম্পাদক ও গ্যাটিস

সম্পাদক ও গ্যাটিস করিম চৌধুরী ( লেখাটি ২০০৩ সালের জুন মাসে সাপ্তাহিক যায়যায়দিনে প্রকাশিত হয়েছিলো। লিখেছিলাম ফ্লোরিডা থেকে ।) ছাত্রজীবনে তিন চারটি দৈনিক পত্রিকা পড়তাম। আমাদের ছাত্রজীবনে পত্রিকায়ই ছিলো দৈনিক ৫/৬টি । ১৯৮৮ সালের কথা । সাপ্তাহিক যায়যায়দিন তখন নিষিদ্ধ । মিনার মাহমুদ-এর সম্পাদনায় সাপ্তাহিক বিচিন্তা তখন কিছুটা জনপ্রিয়। মিজানুর রহমান মিজান সম্পাদিত সাপ্তাহিক খবর তখন দৈনিক রূপে প্রকাশিত হচ্ছে। আমি দৈনিক খবর-এর পাঠক ছিলাম না। আমার কিছু ঘনিষ্ঠ বন্ধু যারা ছাত্রলীগ করতো তারা সবাই ছিল দৈনিক খবরের পাঠক ছিলো । এক সিনিয়র ভাই/ বন্ধু, যিনি জেলা ছাত্রলীগের প্রভাবশালী নেতা, মি. আতিক উল্লাহ খোকন, তিনি একদিন আমাকে ডেকে বললেন, সন্ধ্যার পর তুই একটু বাসায় আসিস। দরকার আছে। আতিক ভাইয়ের বাসা ঝাউতলা । শহীদ শামসুল হক সড়কে । আতিক ভাই এখন কুমিল্লা শহরের দোকান মালিক সমিতির সভাপতি । বাসায় গেলে তিনি আমাকে দুটো দৈনিক খবর হাতে দিয়ে বললেন, তুইতো অনেক পত্রপত্রিকা পড়িস। দু'দিনের এই দুটো খবর পত্রিকা দেখে আমাকে বলতো সমস্যাটা কোথায়? আমি কিছু বুঝতে পারছি না। কিন্তু মনে সন্দেহ জাগছে। কোথায় ...

শানু

শানু রিমোট টিপতেই StarGold এলো ৷ এখন রাত সাড়ে বারোটা । সব সময়তো রাজনীতি আর নিজের অভিজ্ঞতার কথা লিখি ৷ আমাদের জীবনে বিনোদনতো নেই ই। রক্তারক্তি, মারামারি, হানাহানি চলছে সারাদেশে । দুঃখের মাঝেও আমরা সবাই সুখ খুঁজি । এটাও মানব চরিত্রের এক বিশেষ দিক। খুব সুখের সময়ে কিছু ছবি দেখলে বা গান শোনলে এগুলো মনে থাকে বেশি ৷ অনেক বছর পর আবার দেখলে বা শোনলে সেই সময়টা চোখের সামনে ভেসে উঠে অবিকল । ২০০১ সালে ফ্লোরিডা ছিলাম । আজ থেকে ১৭ বছর আগে । ফেসবুকের নাম গন্ধও তখন ছিলো না। ফেসবুক এসেছে ২০০৪ সালে । ইউটিউব তো ছিলোই না । ইউটিউব এসেছে ২০০৫ সালে । সবাই কম বেশি স্মৃতিকাতর। একা মানুষ একটু বেশি স্মৃতিকাতর হয় । ইতিমধ্যেই আমি অনেক মেয়েদের নিয়ে গল্প লিখেছি । পত্রিকায় ও ফেবুতে। এখন StarGold এ একটা ছবি চলছে । আমার বেশ ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলো শরিয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার শামু । ভালো নাম শামসুর রহমান। আমার জুনিয়র । শামুর স্ত্রীর নাম শানু । ভালো নাম শাহানা । শানু আমাকে খুব ভালোবাসতো । ফ্লোরিডার সব বন্ধুরা তা জানতো । শামুও জানতো ৷ আমার সঙ্গে প্রেমময় সম্পর্ক ছিলো তার স্ত্রীর । শামু সেটা মেনে নিয়েছি...

ডিজিটাল কোকেইন

ডিজিটাল কোকেইন পৃথিবীর তিন ভাগের এক ভাগ মানুষই এখন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে অভ্যস্ত । এর একটা ব্যাপক প্রভাব পড়েছে সমাজে । কিন্তু আপনি কি জানেন আপনার শরীরেও পরছে এই প্রভাব ? চলুন জেনে নিই এরকম কয়েকটি প্রভাবের কথা । * ডিজিটাল কোকেইনঃ অনলাইন আসক্তিকে মনোবিজ্ঞানীরা এখন ডিজিটাল কোকেইন নাম দিয়েছেন । ফেসবুক যারা ব্যবহার করেন তাদের অনেকেই বলেছেন, একটু পর পর ফেসবুকে ঢুকে তাদের দেখতে ইচ্ছে করে নতুন কোনো নোটিফিকেশন এলো কিনা ? আর একবার ঢুকলে কিভাবে যে ঘন্টার পর ঘন্টা পার হয়ে যায় তা যেন তারা টেরই পান না । শোনে মাদক আসক্তির মতো মনে হচ্ছে না ? ব্রেন স্কেনে মাদকাসক্ত আর অনলাইন আসক্তদের একই রকম ছবি দেখা গেছে । দুজনেরই মস্তিষ্কের সামনের ওয়েব ম্যাটারগুলো ক্ষয়ে যাওয়া । ব্রেনের ওয়েব ম্যাটার নিয়ন্ত্রন করে মানুষের আবেগ, মনোযোগ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণকে । আর তা ক্ষয়ে যাওয়া মানে এই ক্ষমতাগুলো কমে যাওয়া । কাজেই সোশ্যাল মিডিয়ার নিয়ন্ত্রনহীন ব্যবহার আপনার আবেগকে ভারসাম্যহীন করতে পারে । নষ্ট করতে পারে আপনার মনোযোগ ও সিদ্ধান্ত নেয়ার সামর্থকে । মানুষের মস্তিষ্কে ডোপামিন নামে এক ধরনের কে...

সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং.....

সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং..... দেশের সবাই ভাবছেন,নির্বাচনে সেনাবাহিনী নামলেই সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে । আমার তা বিশ্বাস হয় না। সেনাবাহিনীর ক্ষমতা সীমাবদ্ধ। তারা কাজ করবে রিটার্নিং অফিসারের নির্দেশে ৷ পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে ব্যর্থ হলে রিটার্নিং অফিসার সেনাবাহিনীর সাহায্য চাইলে তবেই তারা হস্তক্ষেপ করবে। রিটার্নিং অফিসার মানে ডিসি । ৬৪ জেলার সব ডিসি আওয়ামী লীগ সমর্থক। ডিসি,এসপি, ইউএনও,ওসি সবাই সরকারি দলের ৷ তাছাড়া ভোট কে ন্দ্রের ভেতরে কি ভাবে ভোট চুরি হয় সেটা সেনাবাহিনী জানার কথা নয় ৷ উপরে ঠাট বাট ভেতরে সদরঘাট। লাভ কি ? শুধু স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনাবাহিনী থাকবে তাও নির্দেশ না পেয়ে কোনো অ্যাকশনে যেতে পারবে না। তাছাড়া গত দশ বছরে সেনাবাহিনী দেশের ক্রান্তিকালে কোনো ভুমিকাই রাখেনি । ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন এখনো জেলে । হাজার হাজার নিরপরাধ মানুষ জেলে । জেল খানায় জায়গা নেই । একজনের জায়গায় তিনজন থাকে । বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭ জন চৌকষ সেনা কর্মকর্তা নিহত হলেও সেনাবাহিনী কিছুই করেনি । যেখানে তারা তাদের সহকর্মীদের প্রাণ বাঁচাতে এগিয়ে আসেনি সেখানে দেশের মানুষের জন্য...

মুক্তিযুদ্ধ ব্যবসা

মুক্তিযুদ্ধ ব্যবসা আওয়ামী লীগ ছাড়া বাকী যারা মুক্তিযুদ্ধ ব্যবসা করতে যাবেন, তারা হারবেন। মুক্তিযুদ্ধ ব্যবসায় আওয়ামী লীগরে হারানোর উপায় একটাই, এই ব্যবসায় অংশগ্রহণ না করা। আওয়ামী লীগের এই ব্যবসা হালে পানি পাইতো না, যদি না অন্যরা এই ব্যবসায় পার্টিসিপেট করতো। জিয়া পরবর্তী বিএনপি এর জন্য বহুলাংশে দায়ী। জিয়ারে স্বাধীনতার ঘোষক ঘোষণা, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ইত্যাদি কইরা বিএনপি আওয়ামী লীগের এই ব্যবসার পালে বাতাস দিছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়! হাউ ফানি!! আরো বহু বহু দেশে স্বাধীনতা যুদ্ধ হইছে, এরকম আর কোন দেশ আছে, যেখানে এরকম একটা মন্ত্রণালয় আছে? বিএনপি বলেন আর সিপিবি-জামাত বলেন- যারাই মুক্তিযুদ্ধ ব্যবসা করবেন, তারা আওয়ামী লীগই করলেন। বিএনপির লোকজন এখন নতুন প্রতিযোগিতায় নামছে, বিএনপি বেশী মুক্তিযোদ্ধা নমিনেশান দিছে না আওয়ামী লীগ বেশী দিছে। হাস্যকর! বাংলাদেশের রাজনীতিতে মুক্তিযুদ্ধ আওয়ামী লীগ আর ইন্ডিয়ার কারেন্সি। তাদের কারেন্সি দিয়া তাদের হারাইতে পারবেন না। কোনদিন না।   December 23, 2018 at 9:55 PM ·