সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

শুক্রবারের ঢাকা

শুক্রবারের ঢাকা গতকাল ঢাকা গিয়েছিলাম।গুলিস্তান নেমে একটা সিএনজি নিই এলিফ্যান্ট রোড বাটার মোড়।ভাড়া ২০০ টাকা।কুমিল্লা থেকে ঢাকার বাস ভাড়া ২২০ টাকা। প্রতিদিনই শুনি দেশ এগিয়ে যাচ্ছে ! আজ পর্যন্ত সিএনজি বা ট্যাক্সি ঢাকা শহরে মিটারে চলার আইন সরকার প্রয়োগ করতে পারে নি। এগিয়ে যাওয়ার নমুনা! চার বছর আগে মতিঝিলে এক সিএনজি চালক মিটারে যেতে অস্বীকার করায় আমি পাশে দাঁড়ানো এক ট্রাফিক সার্জেন্টকে অভিযোগ বলায় সেই সার্জেন্ট আমাকে বলেছ িলো,আপনার পোষালে যাবেন নয়তো যাবেন না। ইচ্ছা হয়েছিলো ওই সার্জেন্টকে কষে একটা মারি। তো গতকাল সিএনজিতে ২০০ টাকায় বাটার মোড়ে যাওয়ার পথে মৎস্য ভবনের একটু সামনে গিয়েই চালক বললো,স্যার এদিকে রাস্তা বন্ধ,ঘুরে যেতে হবে। বললাম যাও।সে কাকরাইল মসজিদের সামনে দিয়ে হেয়ার রোড হয়ে মিন্টু রোড দিয়ে শেরাটন হোটেলের সামনে গিয়ে বললো,স্যার এদিক দিয়েও বন্ধ।তারপর সে ঘুরিয়ে বাংলা মোটর হয়ে একটু গিয়ে বললো,স্যার এদিকেও রাস্তা বন্ধ।আপনি নেমে রিকশায় চলে যান।নেমে রিকশা নিলাম বাটার মোড় ৩০ টাকা।হাতিরপুল ইস্টার্ন প্লাজা পার হয়ে রিকশা চালক বললো,স্যার রাস্তা বন্ধ।যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই।...

নামের কি বাহার ! রিপোস্ট

নামের কি বাহার ! রিপোস্ট নামের কি বাহার!আমাদের দেশের মানুষের নামও খুব বিচি ত্র।ছেলেদের নামের মধ্যে কালা মিয়া, লাল মিয়া,সোনা মিয়া,সুন্দর আলী এসব কমন নাম।মেয়েদের নামের মধ্যে পরিষ্কার খাতুন, কলমজান বেগম,আলেকজান বেগম,কইতরি আক্তার এসব নাম গ্রামে এখনো বেশ জনপ্রিয়। পৃথিবীতে আমরাই একমাত্র জাতি,যে জাতি নামকে বিকৃত করে বলে।কালামকে-কালাইম্মা, কামালকে-কামাইল্লা,জামালকে-জামাইল্লা, জলিলকে-জইল্লা,বাহারকে বাহাইরা,লিটনকে লিটইন্না,জা হাঙ্গীরকে-জাইঙ্গা,করিমকে-করিম্মা, শফিককে-শফিক্কা,বাবুকে-বাউব্বা । মিতুকে-মিত্তা,রোজিকে-রইজ্জা,জলিকে-জইল্লা, লিপিকে-লিপ্পা,শানুকে-শাউন্না,নাজমাকে-নাউজ্জা এসব খুব শোনা যায় । এদেশে ট্রেন স্টেশনের নাম-ফাজিলপুর,চিনকি আস্তানা!এর সঙ্গে যোগ হয়েছে স্কুল,গ্রাম,বাজার ও উপজেলার নাম। এদেশে বাজারের নামঃ ঘুষের বাজার, কাঁকড়া বাজার, পাগলা বাজার, বাপ-পুতের বাজার, আইলসার বাজার,ভবের বাজার,বুড়াবুড়ি বাজার, চুলকানী বাজার! গ্রামের নামঃ বীর পাগলি গ্রাম।স্বল্প পাগলি গ্রাম। কাকিয়ার চর। এদেশে স্কুলের নাম-চুমাচুমি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এদেশে একটা উপজেলার...

বাসন মেজে মানসিক চাপ কমান!!!

বাসন মেজে মানসিক চাপ কমান!!! (০৫-১০-২০১৫ এর এই স্ট্যাটাসটি আজ See your Memory 1 Year ago তে দেখে রি-পোস্ট দিলাম । এটি আমার হ্যাকড হওয়া একাউন্টে লেখা।) "মানসিক চাপ বা উদ্বেগে ভুগছেন?মনোযোগ দিয়ে বাসন-কোসন মাজতে শুরু করতে পারেন। সাম্প্রতিক এক গবেষণার ফল বলছে,বাসন মাজলে মানসিক চাপ কমে গিয়ে ফুরফুরে লাগতে পারে।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা এ গবেষণা করেছেন। রান্নাঘরে যাঁরা বাসন-কোসনের বোঝা দেখে উঁকিঝুঁকি মারতে ভয় পান,তাঁরা এবার লম্বা একটা শ্বাস নিয়ে কাজে নেমে যেতে পারেন।ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষক অ্যাডাম হ্যানলে দাবি করেছেন,পূর্ণ মনোযোগের সঙ্গে বাসন-কোসন ধুলে মন শান্ত হয় ও চাপ কমে যায়। বাসন মাজার বিষয়টির সঙ্গে ধ্যানমূলক পদ্ধতির কোনো যোগসূত্র আছে কি না,তা খুঁজে দেখতে এ গবেষণা চালান তাঁরা।‘মাইন্ডফুলনেস’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে গবেষণাসংক্রান্ত নিবন্ধ।" গত কয়েকদিন ধরে নিজেই মানসিক চাপে ভুগছি ।আজ এক পত্রিকায় উপরের খবরটা পড়লাম। ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিটিতে একবার গিয়েছিলাম।এখন যদি ফ্লোরিডায় থাকতাম তবে গবেষক অ্যাডাম হ্যানলেকে জিজ্ঞেস করতাম, কো...

হ্যালোইন ডে কি এবং কি তার ইতিহাস

হ্যালোইন ডে কি এবং কি তার ইতিহাস (আমেরিকায় ছিলাম বলে অনেকেই মাঝে মাঝে কিছু জানতে চান।গতকাল রাজশাহীর বন্ধু কাকন কাজী ইনবক্সে লিখেছেন ‘করিম, আপনি আমাকে হ্যালোউইন ডে সম্পর্কে কিছু জানাতে পারেন । আমি আমার হাসব্যান্ডকে বলবো।’ এ সব বিষয় পাবলিকলি লিখতে গেলে পড়তে হয়, তথ্য কালেকশান করতে হয়। চেষ্টা করেছিলাম তার ইনবক্সে দিতে কিন্তু যতবারই চেষ্টা করেছি ততোবারই দেখাচ্ছে Message too long, can not send. তাই এখানেই দিলাম।কোথাও ভুল থাকলে আমেরিকা ও কানাডার বন্ধুরা সংশোধনী দিতে পারেন।চার বছর আগের লেখা। ) যেই ক্যালেন্ডারের পাতায় অক্টোবর মাস এলো অমনি সারা আমেরিকায় হ্যালোউইন উৎসব পালনের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেলো।এটি এমন একটি উৎসব, যার সঙ্গে জড়িত ভূত-প্রেত । প্রতিবছর অক্টোবরের শেষ দিনটি অর্থাৎ ৩১ তারিখ মৃত আত্মাদের স্মরণে পালিত হয় এ দিবস । বিগত কয়েক বছরে পাশ্চাত্য ও প্রাচ্যের অলিগলির প্রায় সর্বত্রই হ্যালোইন ডে পরিচিতি পেয়েছে । এই হ্যালোইন ডে-র উ ‍ ৎপত্তি কোথায় তা কি কেউ জানেন ? হ্যালোইন’ বা ‘হ্যালোউইন’ শব্দটি এসেছে স্কটিশ ভাষার শব্দ ‘অল হ্যালোজ’ ইভ থেকে। হ্যালোইন শব্দের অর...

প্রেমে পড়লে মানুষের মন ও শরীর শান্ত হয়।

প্রেমে পড়লে মানুষের মন ও শরীর শান্ত হয়। প্রেমে পড়লে মানুষের মন ও শরীর শান্ত হয়। বিশেষ এক ধরনের হরমোন নিঃসৃত হওয়ার কারনে মানুষের নার্ভাস সিস্টেমকে পুনঃগঠনে সাহায্য করে।এতে ব্রেনসেল তৈরি হয় যা স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে।যদি কেউ তার কাঙ্খিত মানুষটির সাথে কথা বলে তাহলে তার হার্টবিট তিনগুণ বেড়ে যায়।গবেষনায় দেখা গেছে এমন ক্ষেত্রে শরীরের স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি রক্ত চলাচল করে যা স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো।প্রেমিক যুগল যারা পাশাপাশি বসে সময় কাটায়, নিঃস্বার্থভাবে একে অন্যকে ভালোবাসে তাদের চিন্তা কমে যায়, হতাশা দূর হয়,মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে।যাদের মনে ভালোবাসা নেই তাদের ইমিউন এন্ডোকার্ডিও ভাস্কুলার সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানিয়েছে মার্কিন দি ইনিস্টিটিউশন অফ রিচার্জ অন আনলিমিটেড লাভ।এছাড়া তারা একাকীত্বে ভোগে যা তাদের অকাল মৃত্যুর আশঙ্কা পাঁচগুণ বাড়িয়ে দেয়।ভালো না বাসলে মনে ক্ষোভ জন্মে যা শরীরের জন্যও ক্ষতিকর।ভালোবাসা এক মহা-ঔষুধের নাম।ভালোবাসায় জন্ম নেয়া এন্ডোফিল নামক হরমোন শরীরের ত্বককে নরম ও মসৃণ করে।বাড়ায় মুখের সৌন্দর্য, এমন তথ্য দিয়েছেন নর্থ ক্যারোলাইনা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গ...

লক ডাউন উঠে যাবে

লক ডাউন উঠে যাবে  \লক ডাউন উঠে যাবে হয়তো কয়েকদিন পরই। কেনো উঠবে সেটাও পরিষ্কার। হাজার হাজার মানুষ না খেয়ে মরবে। লকডাউন রাখা হয়েছিলো ভাইরাসটা যেন ধীরে ছড়ায়, ততদিনে যেন ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়ে যায়। কিন্তু দুঃখের কথা হলো,পুরো পৃথিবীর ৭০০ কোটি মানুষের সবার হাতে হাতে এই ভ্যাকসিন পৌঁছাতে, কম করে হলেও ৩-৪ বছর লাগবে। তাই এমন অনন্তকাল লক ডাউন রাখা সম্ভবও না, সে যত উন্নত রাষ্ট্রই হোক না কেনো। চীন,ইতালিতেও উঠিয়ে নেয়া হচ্ছে লকডাউন। তবে আমরা কি এভাবেই মরবো? সহজ ভাষায় বলতে গেলে, হ্যাঁ এবং এটা একদমই প্রাকৃতিক ব্যাপার। প্রতিটা যুগে যুগে এমন Evolution হয়েছে। এক যুগে 'ডাইনোসর' ছিল, কিন্তু প্রকৃতিতে টিকে থাকতে পারেনি বলে তারা আজ নেই। অথচ সেই জুরাসিক যুগের 'তেলাপোকা' এখনো টিকে আছে। কারণ সে নিজেকে Evolve করে, নিজেকে চেঞ্জ করে প্রকৃতিতে টিকে থাকতে পেরেছে। ম্যামথও ছিলো তখন, হয়ত 'ম্যামথ' তার রূপ চেইঞ্জ করেই বর্তমানের হাতি হয়েছে। এগুলোই Evolution। তো এগুলো বলার মানে কি? এগুলো জেনে কি করবো? আমাদেরও প্রকৃতির উপাদানের সাথে Evolve হতে হবে। লড়াই করে টিকে থাকতে হবে। আমাদের ন...

Happy Birthday Madhuri Dixit

Happy Birthday Madhuri Dixit আজ ৫৩তম জন্মদিনে জেনে নিন অজানা মাধুরীকে । বলিউডের রূপসী রমণী এবং হাজারো পুরুষের হৃদয়েরর রানী মাধুরী দীক্ষিত।দীর্ঘ তিন দশক ধরেই তিনি মুগ্ধ করে রেখেছেন উপমহাদেশীয় চলচ্চিত্রপ্রেমীদের। জনপ্রিয় এই বলিউড অভিনেত্রী আজ ১৫ মে পা রাখলেন ৫৩ বছরে। বলিউড ডান্স কুইন, ভুবন ভোলানো হাসি এই বলিউড সুপারস্টারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা। আজকের দিনে শাহরুখ-আমির- সালমান খান থেকে শুরু করে বলিউডের বিভিন্ন তারকারা তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সেইসাথে ভারতজুড়ে মাধুরী ভক্তরাও দিনটিকে প্রিয় অভিনেত্রীর জন্য উৎসর্গ করেছেন। এদিকে নিজের জন্মদিনের দিনটা পরিবারের সঙ্গে একান্তেই কাটাচ্ছেন মাধুরী। যে সময় চলে গেছে, তাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ মাধুরীর কাছে। সেই সময় তিনি যে ভালোবাসা, আদর পেয়েছেন তার বন্ধু-বান্ধব, ভক্তদের কাছ থেকে, তা তিনি সবসময়ই মনে রাখবেন। ১৯৬৭ সালের ১৫ মে মুম্বাইতে জন্মগ্রহণ করেন মাধুরী দীক্ষিত। বাবা শংকর দীক্ষিত ও মা সঞ্চলতা। এক ভাই ও তিন বোনের মধ্যে মাধুরী ছিলেন সবার ছোট। ব্রাক্ষণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করার খাতিরে বেশ ধার্মিক ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বেড়ে উঠেছ...